সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২০

পাঞ্জাবী খাবার জালেবি পরোটা রেসিপি। Punjabi Food Jalebi Paratha Recipe

 উপকরণ:- ৪ কাপ ময়দা, স্বাদমতো নুন, ১ কাপ দুধ, সোয়া তিন কাপ দেশি ঘি, কিছুটা গ্রিজ পেপার, ৩ চামচ মৌরি। 

বানানোর পদ্ধতি:- ময়দা নুনের সাথে মিশিয়ে চালুনিতে চেলে বড়ো পাত্রে রাখুন। মৌরি হামানদিস্তায় গুঁড়ো করে নিন। ময়দার স্তুপে গর্ত করে আধ কাপ দুধ ও সমপরিমাণ জল মেশান। ভালো করে ঠাসতে থাকুন। ঠাসা হয়ে গেলে ভিজে কাপড় ঢাকা দিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। তারপর দুইকাপ ঘি ময়দার তালে মিশিয়ে  আবার ঠাসতে থাকুন যতক্ষণ না ময়দা নরম হয়ে আসে। এইসময় গুঁড়ো করা মৌরি ময়দাতে মেশাতে হবে। ময়দা ঠাসা হয়ে গেলে ভিজে কাপড়ে ঢাকা দিয়ে আবার দশ মিনিট রেখে দিন। ময়দার তালকে সমান মাপের ১২ টি লেচিতে ভাগ করুন। উপরে ময়দার গুঁড়ো হালকা করে ছড়িয়ে আরও দশ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন। চাকি বেলুনের সাহায্যে ৮ ইঞ্চি ব্যাসের মাপে রুটির মতো করে বেলুন। রুটির উপর এক চামচ করে গলানো ঘি মাখান। তার উপরে হালকা করে ময়দা ছড়িয়ে দিন। এইবার বৃত্তাকার রুটির যেকোনো একটি ব্যাসার্ধ বরাবর ছুরি দিয়ে কাটুন। কাটা জায়গা থেকে শিঙাড়ার মতো করে রুটি গোল করে মুড়তে থাকুন। সমস্ত রুটি শঙ্কুর আকার নেবে। তখন তার মাথায় চাপ দিয়ে দিয়ে পেঁড়ার মতো করুন। সবকয়টি পেঁড়া ফ্রিজে ঢুকিয়ে ঘন্টা চারেক রেখে দিন। তারপর ওই লেচি বের করে আবার চাকি বেলুনের সাহায্যে বেলুন। বেলা রুটির ভাঁজে ভাঁজে গ্রিজ পেপার ঢুকিয়ে প্রতিটি পরোটাকে আলাদাভাবে ফ্রিজে ঢোকান। কিছুক্ষণ পরে সবকয়টি পরোটা বের করে নিয়ে তাওয়ায় অল্প ঘি দিয়ে একটি একটি করে ভাজতে থাকুন যতক্ষণ না হালকা সোনালী রঙ ধরে। 

শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০

রাজস্থানি খাবার বট্টি রেসিপি। Rajasthani Food Batti Recipe

 উপকরণ:- ৪ কাপ আটা, ১ চামচ বেকিং পাউডার, আন্দাজমতো নুন, আড়াই কাপ ঘি। 

পদ্ধতি:- একটি বড়ো কানাউঁচু থালা নিন। চালুনি দিয়ে আটা চেলে নিন। এইবার আটা, বেকিং পাউডার ও নুন থালাতে ঢালুন। আটার স্তুপে আঙুল দিয়ে ছোট গর্ত করে দেড় কাপ জল ঢালুন ও ঠেসে ঠেসে আটা মাখতে থাকুন। হয়ে গেলে মাখা আটা ভিজে কাপড় ঢাকা দিয়ে দশ মিনিট রেখে দিন। তারপর এক তৃতীয়াংশ কাপ ঘি মিশিয়ে আবার ভালো করে আটা ঠাসতে থাকুন। কিছুক্ষণ ঠাসার পর আবার ভেজা কাপড় দিয়ে আবার দশ মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর আটার তালকে ষোলোটি সমানভাবে ভাগ করে লেচি তৈরি করুন। আবার ঐ আলাদা ষোলোটি গোলাকে ভিজে কাপড়ে চাপা দিয়ে দশ মিনিট রেখে দিন। প্রতিটি লেচিকে প্রায় আড়াই ব্যাসযুক্ত পেঁড়ার আকার দিন। ঢাকা দিয়ে রেখে দিন বেক করার জন্য। মাইক্রোওভেনে ৩৫০° ফারেনহাইট তাপে অল্প সময় বেক করুন। বেকিং ট্রেতে ঘি মাখিয়ে নিয়ে তার উপরে তৈরি হওয়া পেঁড়াগুলি সাজান। আবার ওভেনে ঢুকিয়ে ১৫-১৮ মিনিট স্বাভাবিক উষ্ণতায় বেক করুন। বের করে প্রতিটি বট্টির এক পিঠে ছোট্ট গর্ত করে গর্তের মধ্যে ঘি ঢুকিয়ে তরকারি সহযোগে গরম অবস্থায় খেয়ে নিন। 

শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০

দক্ষিণ ভারতীয় খাবার অভিয়াল রেসিপি। South Indian Authentic Food Aviyal Recipe

 উপকরণ:- বড়ো বেগুন ২ টি, কাঁচাকলা ২ টি, আলু ২ টা, সজনে ডাঁটা ২২৫ গ্রাম, ওল ১১৫ গ্রাম, হাফ মালা নারকেল, ৫০ মিলিলিটার নারকেল তেল, ১-২ টা কাঁচালঙ্কা, ১ চিমটে হলুদ, এক চিমটে জিরে, ১১৫ গ্রাম টকদই, এক আঁটি কারিপাতা, স্বাদমতো নুন। 

প্রণালী:- সবজিগুলোর খোসা ছাড়িয়ে লম্বা লম্বা করে কাটুন। নারকেল, কাঁচালঙ্কা আর জিরে একসাথে মিহি করে বাটুন। দই ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন। জলে নুন, হলুদ দিয়ে সবজি সেদ্ধ করুন। বাটা মশলা, দই ও কারিপাতা সেদ্ধ সবজির উপরে দিন ও আবার ফোটান। কিছুটা নারকেল তেল ঢেলে আঁচ থেকে পাত্র সরিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন। 

মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০

Yogurt Tooty Fruity Recipe। ইয়োগার্ট টুটি ফ্রুটি রেসিপি

 উপকরণ:- ১৫০ গ্রাম টকদই, ২৫০ মিলিলিটার  দুধ, ২ টেবিল চামচ চিনি, হাফ চা চামচ করে জি. এম্. এস্. ও সি. এম. সি. এবং কর্নফ্লাওয়ার, ২ টেবিল চামচ করে খোয়াক্ষীর-কনডেন্সড মিল্ক-ড্রাই টুটি ফ্রুটি, হাফ চা চামচ চায়না গ্রাস। 

প্রণালী:- দই কাপড়ে বেঁধে ঝুলিয়ে জল ঝরান। দুধ আঁচে চাপান। ফুটে উঠলে জি. এম্. এস্. ও সি. এম্. সি. চিনিতে মিশিয়ে দুধে দিন। গলে গেলে চায়না গ্রাস ও কর্নফ্লাওয়ারও একটু দুধে গুলে ঢালুন। ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। ঠান্ডা দুধে দই, কনডেন্সড মিল্ক, কুরানো খোয়াক্ষীর দিয়ে পুরোটা মিক্সিতে ঢেলে ফেটান। অ্যালুমিনিয়াম পাত্রে দুধের এই মিশ্রণ ঢেলে ঢেকে ফ্রিজারে জমতে দিন। জমে গেলে বের করে তাতে ড্রাই টুটি ফ্রুটি মিশিয়ে মিক্সিতে ফেটিয়ে আবার ফ্রিজারে জমতে দিন। পরিবেশনের সময় ফল দিয়ে সাজান।

সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০

আনজির আখরোট আইসক্রিম রেসিপি। Anjeer Akhrot Icecream Recipe

 উপকরণ:- হাফ লিটার তরল দুধ অথবা ৫ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ, ৫ টেবিল চামচ চিনি, ১ চামচ জি. এম. এস., ১ চামচ সি. এম. সি., ১ চামচ চায়না গ্রাস বা ঘাস, এক চা চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার, হাফ কাপ আখরোট, ৬ টা আনজির, ২ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ, ৬-৭ ফোঁটা ভ্যানিলা এসেন্স। 

প্রণালী:- ১ কাপ দুধে আনজির সেদ্ধ হওয়া অবধি ফোটান। এই ফোটানো আনজির ফ্রিজে রেখে দেবেন। দুধ ঘন করে ফুটিয়ে আইসক্রিম তৈরি করুন। গুঁড়ো দুধ দিয়ে করলেই ভালো। ৫০০ মিলিলিটার জলে গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে ফুটতে দিন। ফুটে উঠলে জি. এম. এস. ও সি. এম. সি. চিনিতে মিশিয়ে দুধে ঢালুন। চিনি গলে গেলে চায়না গ্রাস, কর্নফ্লাওয়ার অল্প দুধে গুলে দুধের মিশ্রণে ঢেলে আনজির, গুঁড়ো দুধ ও ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে মিক্সিতে পুরো মিশ্রণটি মিনিট খানেক ফেটান। ফেটানো দুধ অ্যালুমিনিয়াম পাত্রে ঢেলে ঢেকে ফ্রিজারে রাখুন। রাখার কমপক্ষে ঘন্টাখানেক আগে থেকে ফ্রিজার মেক্সিমামে রাখবেন। জমে গেলে বার করে সামান্য নরম হলে আবার মিক্সিতে দিয়ে ফেটান। এই সময় আখরোট মিশিয়ে দেবেন। আখরোট মেশানো এই ফেটানো দুধ আবার অ্যালুমিনিয়াম পাত্রে ঢেলে ফ্রিজারে রাখুন। এই সময় ফ্রিজার নর্মাল থাকবে। পরিবেশন করার দশ মিনিট আগে চিলার ট্রেতে আইসক্রিমের পাত্রটি বের করে রাখবেন। আনজির দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। 

রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

আমসি বা শুকনো আমের চাটনি রেসিপি। Dry Mango Chutney Recipe

 উপকরণ:- ২ চা চামচ আমচুর, ৬০ গ্রাম গুড়, ১ চিমটে করে জিরে ও বিটনুন, আধ চা চামচ গোলমরিচগুঁড়ো, ২ টা তেজপাতা, ২ খানা শুকনো লঙ্কা, ১ চিমটে মৌরি, আন্দাজমতো জল, ৫ মিলিলি. তেল, স্বাদমতো নুন। 

পদ্ধতি:- প্রথমে জলে গুড় দিয়ে গুলে রাখুন। এবার কড়াইতে তেল গরম করে তেজপাতা ফোড়ন দিন। এরপরে একে একে শুকনো লঙ্কা, মৌরি, জিরে দিয়ে গোলা গুড় ঢালুন। আমচুর ও নুন দিয়ে দশ মিনিট ফোটান। তারপর নামিয়ে ঠান্ডা করুন। 

করমচার চাটনি রেসিপি। Karamcha Chutney Recipe

 কিকি কাঁচামাল লাগে বানাতে? 

- করমচা ৭০০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম চিনি, ১০০ গ্রাম কুচানো কিশমিশ, ১০০ গ্রাম কুচানো কাজুবাদাম, ২ টা গুঁড়ো করা ছোট এলাচ, অর্ধেক মালা কোরানো নারকেল, ২ টা তেজপাতা, সামান্য পরিমাণে ভ্যানিলা এসেন্স, স্বাদমতো নুন, কিছুটা বাদাম তেল। 

পদ্ধতি:- করমচাগুলো লম্বা করে চার ভাগে ভাগ করে নিন। একটি ছুরি দিয়ে মাঝের দানাগুলো বের করে দিন। কড়াইতে তেল গরম করে তেজপাতা দিয়ে করমচাগুলো ছাড়ুন। ভালো করে ভেজে আলাদা পাত্রে রাখুন। এইবার উনুনে একটি প্রয়োজনীয় সাইজের ডেকচি বসিয়ে চিনি ও জল দিয়ে রস তৈরি করুন। এই রসের মধ্যে করমচা ভাজা দিন। একটা শুকনো কড়াইতে প্রথমে কোরানো নারকেল ভেজে নিন। করমচা সেদ্ধ হলে কুচানো কিশমিশ, ভাজা কাজুবাদাম ও নারকেল দেবেন। তারপর নামিয়ে ঠান্ডা করুন। সবশেষে ছোট এলাচ গুঁড়ো ও ভ্যানিলা এসেন্স ছড়িয়ে দিন। 

শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০

ডিম টমেটো পকোড়া রেসিপি। Egg Tomato Pakora Recipe

 উপকরণ:- ২ টা বড়ো আকারের টমেটো, ২ টা ডিম, ১ কাপ চালের গুঁড়ো, ১ টা বড়ো মাপের পেঁয়াজ, ২-৩ টা কাঁচালঙ্কা, আধ আঁটি ধনেপাতা কুচানো, পরিমাণমতো নুন, সামান্য হলুদ, পরিমাণমতো তেল, আধ চা চামচ বেকিং পাউডার। 

প্রণালী:- টমেটো ও পেঁয়াজ কুচি কুচি করে কেটে নিন। এইবার দুটি ডিম ফেটিয়ে পেঁয়াজকুচি ও টমেটোকুচির সাথে মেশান। এরপর চালের গুঁড়ো ও ধনেপাতাকুচানো এই মিশ্রণে মেশান। হলুদ, নুন ও বেকিং পাউডার দিন। কড়াইতে তেল গরম করে হাতায় করে গোলা তুলে লাল করে ভেজে নিন। সবশেষে সসের সাথে গরম গরম পকোড়া পরিবেশন করুন। 

আমেরিকান চপসোয়ে রেসিপি। American Chopsuye Recipe

 উপকরণ:- চাও তিন প্যাকেট, দেড় কাপ তিনকোনা করে কাটা সবজি ( গাজর, বিনস্, ক্যাপসিকাম, বাঁধাকপি, ফুলকপি ), ১০০ গ্রাম বিনস্ স্প্রাউট, ১ টা পেঁয়াজ কুচানো, আধ কাপ বাদাম তেল, হাফ চা চামচ আজিনোমোটো, ১ চা চামচ সাদা মরিচ, ৪ টেবিল চামচ টমেটো কেচাপ, আন্দাজমতো নুন, ১ টেবিল চামচ বাদামি ভিনিগার, ১ টেবিল চামচ সয়াসস, কর্ণ ফ্লাওয়ার ২ চা চামচ। 

প্রণালী:- চাও অল্প সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে এক টেবিল চামচ ময়দা ছড়িয়ে গরম তেলে ভেজে নিন। হালকা রঙ ধরলে তুলে নিন। কাটা সবজি দুইকাপ জলে আধ চা চামচ নুন দিয়ে সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে সেদ্ধ সবজি, বিনস্ স্প্রাউট ও পেঁয়াজ দিন। আজিনোমোটো, নুন ও সাদা মরিচ দিয়ে দু মিনিট রান্না করুন। সস দিন। মিনিট খানেক রান্না হলে কর্নফ্লাওয়ার জলে গুলে কড়াইতে ঢালুন। পরিবেশন করার প্লেটে ভাজা চাউ রেখে তার উপর রান্না করা সবজি দিন। আবার তার উপরে খানিকটা ভাজা চাও দিয়ে পরিবেশন করুন। 

বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০

স্প্রিং রোল রান্নার রেসিপি। Spring Roll Cooking Recipe

 উপকরণ:- প্যানকেকের জন্য লাগবে ১টা ডিম, আধ কাপ ময়দা, ১ কাপ জল, আধ  চা চামচ নুন। ভাজার জন্য আন্দাজমতো বাদাম তেল। ফিলিং করার জন্য আধ কাপ বোনলেস চিকেন কুচি, ১ টা পেঁয়াজ কুচানো, অর্ধেক কাপ গাজর কুচি, চার খানা বিন কুচানো, আধা কাপ সরু করে কাটা বাঁধাকপি, সরু করে কাটা ৩ টা ক্যাপসিকাম, আধ কাপ বিনস্ স্প্রাউট, অর্ধেক চা চামচ আজিনোমোটো, দেড় চা চামচ নুন, ২ চা চামচ সয়াসস, ২ টেবিল চামচ তেল। 

প্রণালী:- ময়দা ও নুন মেশান। ওর মধ্যে ডিম ও জল দিয়ে একটা পাতলা গোলা তৈরি করুন। খানিকটা করে গোলা নিয়ে ননস্টিক প্যানে গোল করে ছড়িয়ে প্যানকেক ভেজে তুলুন। ফিলিং তৈরির জন্য প্রথমে তেল গরম করুন। পেঁয়াজকুচি দিয়ে একটু ভেজে সবজি ও মাংস দিন। হালকা রঙ ধরলে নুন ও সয়াসস দিয়ে রান্না করুন। আজিনোমোটো ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। প্যানকেকের যে দিকটা ভাজা হয়েছে সেদিকটায় ফিলিং দিয়ে রোল করুন। এক চা চামচ কর্নফ্লাওয়ার এক চা চামচ জলে গুলে রোলের ধার জুড়ে দিন। ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে প্যানকেকগুলি বাদামি করে ভেজে তুলুন। কোনাকুনি কেটে গরম গরম পরিবেশন করুন। 

বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০

মিক্সড স্যান্ডউইচ কিভাবে বানাবেন? How to Prepare Mixed Sandwich?

 উপকরণ:- ডিম, কুচানো মাংস, শশা, টমেটো, মাখন, সাদা সরষে গুঁড়ো, পাঁউরুটির স্লাইস, নুন, মরিচ গুঁড়ো। সবকয়টি উপাদানের পরিমাণ নির্ধারিত হবে কটা স্যান্ডউইচ বানাবেন এবং কিরকম স্বাদ হবে তার উপরে। 

প্রণালী:- ডিম ও মাংসকুচি সেদ্ধ করে নিন। শশা ও টমেটো কুচিয়ে রাখুন। এইবার রুটির শক্ত অংশ বাদ দিয়ে মাখন ও সরষের গুঁড়ো রুটিতে লাগান। ওর উপরে ডিম, মাংসকুচি, শশা ও টমেটো দিয়ে বিটনুন ও মরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে আর একটা একই সাইজের মাখন ও সরষের গুঁড়ো লাগানো রুটির টুকরো দিয়ে পরিবেশন করুন। 

মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০

ভেজিটেবল বা ভেজ স্যান্ডউইচ। Vegetables or Veg. Sandwich Recipe

 উপকরণ:- পাকা টমেটো, শশা, পেঁয়াজ, অল্প মাখন, অল্প সাদা সরষের গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, নুন, পাঁউরুটির স্লাইস। তবে এই সমস্ত জিনিসের পরিমাণ কমবেশি হবে স্বাদমতো ও স্যান্ডউইচের সংখ্যা অনুযায়ী। 

প্রণালী:- পেঁয়াজ, শশা, টমেটো গোল চাকা চাকা করে কেটে নিন। মাখন ও সরষে গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার রুটির ধারগুলো কেটে বাদ দিয়ে মাখনের পেস্ট লাগান। টমেটো, শশা ও পেঁয়াজ ভিতরে সাজিয়ে নুন ও মরিচ গুঁড়ো দিয়ে পুরো তৈরি। 

বাংলায় চীজ স্যান্ডউইচ রেসিপি। Cheese Sandwich Recipe in Bengali

 উপকরণ:- চিজ, পাঁউরুটির স্লাইস, মাখন, সরষের গুঁড়ো আপনার প্রয়োজন ও স্বাদ অনুসারে। 

প্রণালী:- পাঁউরুটির স্লাইসের শক্ত ধারগুলো কেটে বাদ দিন। চিজ স্লাইস করে কাটুন। এবার পাঁউরুটির স্লাইসে মাখন ও মাস্টার্ড বা সরষের পেস্ট লাগিয়ে ভিতরে চিজের স্লাইস দিয়ে কোণাকুনি কেটে নুন ও গোলমরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। 

এগ্ স্যান্ডউইচ কিভাবে ঘরে বানাবেন। How to Cook Egg Sandwich at Home?

 উপকরণ:- ডিম, সরষের গুঁড়ো, মাখন, নুন, গোলমরিচ গুঁড়ো প্রয়োজন অনুযায়ী নেবেন। 

প্রণালী:- ডিম সেদ্ধ করে চাকা চাকা করে কেটে রাখুন। মাখনের সঙ্গে অল্প মাস্টার্ড গুঁড়ো বা সরষের গুঁড়ো দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। পাঁউরুটির শক্ত অংশ বাদ দিয়ে এই পেস্ট স্লাইস রুটিতে লাগিয়ে ডিমের চাকা ভিতরে সাজিয়ে নুন ও গোলমরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে কাটলেই লোভনীয় এবং স্বাস্থ্যকর এগ স্যান্ডউইচ তৈরি। 

সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০

এগ মেয়োনেজ স্যান্ডউইচ রেসিএগপি। Egg Mayonnaise Sandwich Recipe

 উপকরণ:- স্লাইস পাঁউরুটি, ডিম প্রয়োজন অনুসারে। মেয়োনিজ তুলনামূলকভাবে অল্প। অল্প মাখন। 

প্রণালী:- ডিম সেদ্ধ করে চটকে নিন। ওতে অল্প মেয়োনেজ মেশান। পাউরুটির স্লাইসে মাখন লাগান। এইবার ডিম মেয়োনেজের মিশ্রণ উপরে দিয়ে ধারের শক্ত অংশ বাদ দিয়ে কোনাকুনি কেটে নিন। অল্প নুন ছড়িয়ে দেবেন। 

স্যান্ডউইচ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় কিছু কথা। Some Important Words about Sandwich

 স্যান্ডউইচ তৈরি করতে হলে বড়ো স্লাইস পাঁউরুটি ব্যবহার করবেন। স্যান্ডউইচ ব্রেড থাকলে সবচেয়ে ভালো হয়। মাখনের সাথে অল্প মাস্টার্ড গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিয়ে স্লাইসে লাগাবেন। এক পিস রুটির মাঝখানে পুর দিয়ে উপরে আর এক পিস রুটি দিয়ে চেপে বসিয়ে দেবেন। স্লাইস রুটির পাশের শক্ত অংশ ছুরি দিয়ে কেটে বাদ দেবেন। তারপর কোণাকুনি করে কাটবেন। 

রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০

কাঠবাদাম ও গাজরের কেক তৈরির রেসিপি। How to Cook Almonds and Carrots Cake at Home?

 উপকরণ:- ২২৫ গ্রাম গাজর, ৩ টা ডিম, ১৫০ গ্রাম ক্যাস্টার সুগার, খোসা ছাড়িয়ে টুকরো করা কাঠবাদাম ১৫০ গ্রাম, ২ চা চামচ লেবুর খোসা কুরানো, ৫০ গ্রাম ময়দা, আধ চা চামচ বেকিং পাউডার, প্রয়োজন অনুসারে আইসিং  সুগার ও মাখন। 

প্রণালী:- কেক টিনে ভালো করে মাখন লাগান। খোসা ছাড়িয়ে গাজর কুরিয়ে নিন। থকথকে হওয়া পর্যন্ত ডিমের কুসুম ও চিনি একসাথে ফেটান। এরমধ্যে গাজর, কাঠবাদাম ও লেবুর খোসা কুরানো দিয়ে ভালো করে মেশান। ময়দা ও বেকিং পাউডার চেলে নিয়ে মিশ্রণে দিন। ডিমের সাদা অংশগুলি ভালো করে ফেটিয়ে এই মিশ্রণে ঢেলে দিয়ে ভালো করে মেশান। কেক টিনে মিশ্রণটি দিয়ে ৪০-৪৫ মিনিট বেক করুন। বেক করা হলে আরো ৪ মিনিট অপেক্ষা করুন। এর পরে কেকটি বের করে ঠান্ডা হতে দিন। পরিবেশনের আগে কেকের উপর আইসিং সুগার লাগিয়ে সাজিয়ে নিন। 

বাদাম ও ট্যাপারি কেক রেসিপি। Peanuts and Tapari Cake Recipe

 উপকরণ:- চালুনিতে চেলে নেওয়া ময়দা ১৫০ গ্রাম, পৌনে এক চা চামচ বেকিং পাউডার, ১০০ গ্রাম আটা, ১০০ গ্রাম মাখন, ১০০ গ্রাম ব্রাউন সুগার, খোসা কুরানো লেবু ১ টা, টুকরো করে চিনির জলে সেদ্ধ করা ট্যাপারি ১০০ গ্রাম, খোসা ছাড়িয়ে টুকরো করা বাদাম ১০০ গ্রাম, ৫০ গ্রাম টুকরো করা ফলের খোসা, ৪ বড়ো চামচ দুধ দিয়ে ফেটানো ডিম ২ খানা। 

প্রক্রিয়া:- প্রথমে কেক টিনে মাখন লাগান। এর উপরে মোম কাগজ লাগিয়ে ওর উপরে আবার মাখন লাগান। ময়দা ও বেকিং পাউডার চেলে নিয়ে একটি পাত্রে আটার সঙ্গে মেশান। এতে অল্প মাখন দিন। এরমধ্যে চিনি, লেবুর খোসা গুঁড়ো, ট্যাপারি, বাদাম ও ফলের খোসা কুরনো দিন। ডিম ও দুধ মেশান। মিশ্রণটি কেক টিনে দিয়ে ৭০-৭৫ মিনিট ধরে বেক করুন। ঠান্ডা হলে ফয়েলে মুড়ে অন্ততঃ ২৪ ঘন্টা রেখে নিজে খান বা অন্যকে খাওয়ান। 

শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০

ক্ষীরের চমচম বানানোর পদ্ধতি। Khirer Cham cham Recipe

 উপকরণ:- ৩০০ গ্রাম ছানা জল ঝরানো, ২৫০ গ্রাম চিনি, সাজাবার প্রয়োজনে আন্দাজমতো ক্ষীর-বাদাম-চেরি। 

প্রণালী:- একটি থালায় ছানা ঠেসে ঠেসে চটকে নিন। একটি ছড়ানো পাত্রে জল ঢেলে চিনি দিয়ে উনুনের আঁচে বসান। চিনি গলে যাবে। চটকানো ছানা থেকে খানিকটা করে নিয়ে নিয়ে চ্যাপ্টা করে রসের পাত্রে ছাড়া ছাড়া করে রাখুন। ঢাকা দিয়ে ফুটতে দিন। ১০-১৫ মিনিট ফুটে উঠলে ঢাকা খুলে চমচমগুলি সাবধানে উল্টে দিন। আবার একটু নিভু আঁচে কিছুক্ষণ ফোটালে সবকয়টি রসে ভরে যাবে। এইবার উনুন থেকে নামিয়ে রাখুন। ক্ষীর ফেটিয়ে নজলে ভরে চমচমের উপর সাজিয়ে দিন। বাদাম, চেরি ইত্যাদি দিয়ে সাজান। 

মালাই লাড্ডু বানানোর পদ্ধতি। Indian Sweets Malai Laddu Recipe

 উপকরণ:- ২৫০ গ্রাম পনির, আধ কাপ কনডেন্সড মিল্ক, হলুদ রঙের জন্য জাফরান, আধ চা চামচ কেওড়ার জল, ১ টেবিল চামচ রোজ সিরাপ, ২ টা ছোট এলাচের গুঁড়ো, ইচ্ছানুযায়ী রুপোলি তবক।

পদ্ধতি:- পনির ভালো করে মেখে নিন। কড়াই আঁচে চাপান। এইবার কড়াইতে পনির, কনডেন্সড মিল্ক একসাথে দিয়ে কাঠের হাতা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। যখন দেখবেন কড়াইয়ের গা থেকে মিশ্রণটি ছেড়ে আসছে, তখন নামিয়ে ফেলুন। মিশ্রণটি তিনভাগে ভাগ করে একভাগে জাফরান ও কেওড়ার জল মিশিয়ে মাখুন এবং লাড্ডুর মতো গোল করুন। অন্য দুই ভাগে যথাক্রমে রোজ সিরাপ ও ছোট এলাচের গুঁড়ো মিশিয়ে লাড্ডু বানান। লাড্ডুগুলির উপরে রুপোলি তবক মুড়ে দিন। হলুদ, গোলাপি ও সাদা লাড্ডু একসাথে পরিবেশন করুন। দেখতে দারুণ লাগবে। 

শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০

সুইট অ্যান্ড সাওয়ার ফ্রায়েড চিকেন রেসিপি। Sweet and Sour Fried Chicken Recipe

 উপকরণ:- সমান মাপে কাটা ২ কাপ বোনলেস চিকেন, ২ কাপ সুইট অ্যান্ড সাওয়ার সস, বাদাম বা রেপসিড তেল ও গোলমরিচ গুঁড়ো আন্দাজমতো, নুন স্বাদমতো। 

প্রণালী:- মাংসের টুকরোগুলো ভালোভাবে সেদ্ধ করে অল্প ভেজে নিন। তাতে গোলমরিচ গুঁড়ো ও নুন মেশান। আর একটি আলাদা পাত্রে ২ কাপ সুইট অ্যান্ড সাওয়ার সস গরম করে চিকেনের টুকরোগুলো ঢেলে দিন। ফুটে উঠলে নামিয়ে পরিবেশন করুন। 

সুইট অ্যান্ড সাওয়ার চিকেন ইন ব্যাটার রেসিপি। Sweet and Sour Chicken in Batter Recipe

 উপকরণ:- সমান মাপে ছোট ছোট করে কাটা বোনলেস চিকেন ২ কাপ, একই পরিমাণে সুইট অ্যান্ড সাওয়ার সস, ২ টি ডিম ফেঁটানো, ১ টেবিল চামচ অ্যারারুট, বাদাম বা রেপসিড তেল, গোলমরিচ গুঁড়ো ও নুন আন্দাজমতো। 

প্রণালী:- আগে থেকেই সুইট অ্যান্ড সাওয়ার সস তৈরি করে রাখবেন। প্রথমে মাংসগুলোকে সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে নিন। তারপর অ্যারারুট, ফেটানো ডিম, সামান্য জল ও আন্দাজমতো নুন একসাথে  মিশিয়ে গোলা তৈরি করে নিন। একটি ফ্রাই প্যান আঁচে বসিয়ে তাতে বেশি করে তেল দিয়ে ভালো করে ফোটান। মুুুুরগির টুুুুুুকরোগুলি ঐ গোলায় ডুবিয়ে ছাঁকা তেলে ভেজে নিন। এইবার একটি পাত্রে সুইট অ্যান্ড সাওয়ার সস ২ কাপ দিয়ে আঁচে বসান। গরম হলে  তারমধ্যে ভাজা মুরগী  দিন। ভালো করে ফুটে উঠলে নামাবেন।

স্যুইট অ্যান্ড সাওয়ার চাইনিজ সস কিভাবে তৈরি করা হয়। How to Prepare Sweet and Sour Chinese Sauce?

 কি কি লাগবে? 

- ১ কাপের থেকে কিছুটা কম পরিমাণ চিনি, ঐ একই পরিমাণে ভিনিগার, ২ টেবিল চামচ ময়দা, ১ টেবিল চামচ সোয়াসস, ৪ টেবিল চামচ টমেটো সস, আজিনোমোটো হাফ চা চামচ, অল্প নুন, ১ কাপ জল। 

প্রণালী:- প্রথমে উপরের সবকয়টি জিনিস একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই পাত্রটি আঁচে বসিয়ে নাড়তে থাকুন। ঘন হলে নামিয়ে নিন। এই সস খেতে দারুণ। এই সস দিয়ে সুইট অ্যান্ড সাওয়ার স্বাদের চাইনিজসহ নানা পদ রান্না করতে পারেন। 

বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

এগ অ্যান্ড কর্ন স্যুপ রেসিপি। Egg and Corn Soup Recipe

 উপকরণ:- ছোট ছোট টুকরোতে কাটা বোনলেস চিকেন ৫০০ গ্রাম, ২ টেবিল চামচ ময়দা, ১ টিন স্যুইট কর্ন, ১ কাপ দুধ, ৩ টা মুরগির ডিম ফেটানো, ২ টেবিল চামচ মাখন, ৪ টা ছোট সাইজের কুচানো পেঁয়াজ, খোসা ছাড়িয়ে শাঁস ছেঁকে নেওয়া টমেটোর রস অর্ধেক কাপ, এক চা চামচ আদা বাটা, সোয়া চা চামচ আজিনোমোটো, আন্দাজমতো নুন। 

পদ্ধতি:- মাংসের টুকরো সেদ্ধ করে জল ছেঁকে নিন। এই জল বা স্টক যেন অবশ্যই দশ কাপ হয়। মাংসের টুকরো দিয়ে যেকোন অন্য পদ রান্না করতে পারেন। স্যুপে এই মাংস লাগে না। এইবার আলাদা একটি বড়ো পাত্রে মাংস সেদ্ধর জল দশ কাপ দিন। সেই জলে স্যুইট কর্ন, পেঁয়াজ ও টমেটোর রস দিন। আঁচে বসিয়ে ভালোভাবে ফুটে উঠলে তাতে ফেটানো ডিম দিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। এই ফাঁকে দুধে ময়দা ভালো করে গুলে নিন। এবার এই মিশ্রণ স্যুপে ঢেলে নাড়তে থাকুন। তা না করলে দলা পাকিয়ে যাবে। যখন দেখবেন একটু ঘন হয়ে এসেছে, তখন ওর মধ্যে আজিনোমোটো মিশিয়ে আঁচ থেকে নামিয়ে স্যুপের বাটিতে ঢেলে গরম গরম পরিবেশন করুন। 

বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০

সবজি ও মাংস দিয়ে নুডলস স্যুপ রেসিপি। Noodles Soup Recipe With Chicken / Mutton

 উপকরণ:- ১৫০ গ্রাম নুডলস, ছোট ছোট টুকরোতে কাটা বোনলেস চিকেন বা মাটন ১০০ গ্রাম, ১ টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার বা অ্যারারুট, ২ টেবিল চামচ বাদাম বা রেপসিড তেল, ১ চামচ ভিনিগার, ১ চামচ সোয়া সস, সরু করে কাটা আদা ১ চামচ, মিহি করে কাটা ১ টা পেঁয়াজ, সরু করে কুচানো গাজর হাফ কাপ, হাফ কাপ ছোট ছোট করে কাটা বিন, হাফ কাপ বাঁধাকপি পাতা কুচি, সোয়া চা চামচ আজিনোমোটো, আন্দাজমতো গোলমরিচ গুঁড়ো ও নুন। 

প্রণালী:- প্রথমে মাংস ও তরকারি আলাদা সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে নিন ও আলাদা পাত্রে রাখুন। জলও ভিন্ন ভিন্ন পাত্রে রেখে দিন। কারণ, এই জল স্যুপ তৈরিতে কাজে লাগবে। নুডলস সেদ্ধ করার পদ্ধতিতেই সেদ্ধ করবেন। এরপর একটি প্রয়োজনীয় সাইজের পাত্রে তেল গরম করে আদা ও পেঁয়াজকুচি ভেজে নিন। ওতে সেদ্ধ করা মাংস দিয়ে নেড়েচেড়ে সেদ্ধ সবজি দিয়ে আরও খানিকটা সময় ধরে নেড়ে নিন। এইবার সোয়াসস, ভিনিগার একসাথে মিশিয়ে তার সাথে কর্নফ্লাওয়ার ও অ্যারারুট গুলে নিন। এই মিশ্রণ মাংস ও তরকারির সাথে মিশিয়ে আজিনোমোটো দিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। এখন যে তরকারি ও মাংস সেদ্ধর জল আলাদা করে রাখা হয়েছিল তা থেকে ৫-৬ কাপ দিয়ে নুডুলস দিন। তারপর আন্দাজমতো নুন ও গোলমরিচ গুঁড়ো দিন। ভালোভাবে ফুটে উঠলে নামিয়ে স্যুপের বাটিতে ভাগ করুন। সামান্য চিলি সস উপরে ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করে দিন। এটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবার। 

মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২০

ডিমের চাওমিন রেসিপি। Egg Chow Mein Recipe

 উপকরণ:- এর ঠিক আগে যে চাওমিনের কথা বলা হয়েছে সেইসমস্ত উপকরণ লাগবে। এছাড়াও, মুরগির ডিম লাগবে ৪ টি, সরু করে কুচানো আদা ১ টেবিল চামচ, স্প্রিং অনিয়ন বা শাক শুদ্ধ কুচানো পেঁয়াজ ৩ কাপ। আন্দাজমতো নুন। 

প্রণালী:-  ঠিক আগের মতোই ৯৫ শতাংশ রান্না হবে। বিশেষত্ব হ'ল একদম শেষে ৪ টা ডিম ফেঁটিয়ে তারমধ্যে নেড়েচেড়ে আদা কুচি ও শাক শুদ্ধ পেঁয়াজকুচি মিশিয়ে ফ্রাইপ্যানে একটু বেশি করে বাদাম বা রেপসিড তেল দিয়ে ওমলেট বানিয়ে নেবেন। এইবার ওমলেট ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ডিসের চাওমিনের উপর ছড়িয়ে দেবেন। 

শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০

তরকারি ও মাংস দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে চাওমিনে বানিয়ে খান

কিভাবে রান্না করবেন? ( How to Cook Chow Mein With Veg. and Chicken/Mutton at Home? ) 

উপকরণ:- ছোট টুকরোতে কাটা বোনলেস চিকেন/মাটন ২৫০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম এগ নুডুলস, ছোট টুকরোতে কাটা গাজর ১ কাপ, ছোট টুকরোতে কাটা বাঁধাকপি ১ কাপ, তেরছাভাবে ছোট টুকরোতে কাটা বিন ১ কাপ, বাদাম বা রেপসিড তেল ৩ টেবিল চামচ, ১ টেবিল চামচ সয়াসস, হাফ চামচ আজিনোমোটো, ১ টেবিল চামচ ভিনিগার, আন্দাজমতো নুন ও গোলমরিচ, পেঁয়াজ ২টি। 

প্রণালী:- আগে থেকেই নুডুলস সেদ্ধ করে রেডি রাখবেন। তরকারি ও মাংসও সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে রাখবেন। এবার একটি মাঝারি আকৃতির ডেকচি আঁচে বসিয়ে তেল গরম করুন। আগে পেঁয়াজ কিছুটা ভাজুন, পরে ওতে তরকারি ও মাংস দিয়ে একটু ভেজে নিন। এর থেকে কিছুটা ভাজা একটি আলাদা পাত্রে রাখুন। এখন ডেকচির বাকি ভাজাতে সোয়াসস, ভিনিগার, আজিনোমোটো আন্দাজমতো গোলমরিচ ও নুন দিয়ে নেড়ে নিয়ে ওতে সেদ্ধ করা নুডুলস নেড়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। সবটুকু মিশে গেলে আঁচ থেকে নামান। তারপর ডিশে বা প্লেটে সাজিয়ে আগের থেকে আলাদা করে রাখা তরকারি ও মাংস উপরে ছড়িয়ে দিন। তারপর পরিবেশন করুন। 

শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০

তরকারি ও মাংস সহযোগে চাওমিন। Veg Chow mein With Chicken or Mutton

 উপকরণ:- ছোট ছোট টুকরোতে কাটা ২৫০ গ্রাম বোনলেস চিকেন অথবা মাটন, ৫০০ গ্রাম এগ নুডলস, ১ কাপ খুব ছোট টুকরোতে কাটা গাজর, ২ টি পেঁয়াজ, ছোট ও তেরছা করে কাটা ১ কাপ বিনস্, ছোট করে কাটা ১ কাপ বাঁধাকপি, বাদাম অথবা রেপসিড তেল ৩ টেবিল চামচ, ১ টেবিল চামচ সোয়াসস, হাফ চামচ আজিনোমোটো, ১ টেবিল চামচ ভিনিগার, আন্দাজমতো নুন ও গোলমরিচ। 

পদ্ধতি:- আগে থেকে নুডলস, মাংস, তরকারি সেদ্ধ করে রেডি রাখবেন। এইবার উনুনে ডেকচি বসিয়ে তেল গরম করে প্রথমে পেঁয়াজ ভাজুন, তারপর ওর মধ্যে মাংস ও তরকারি দিয়ে একটু ভেজে নিন। এর থেকে কিছুটা মাংস ও তরকারি একটি আলাদা পাত্রে রাখুন। এরপরে ডেকচির বাদবাকি মাংস ও ভেজিটেবলে সোয়াসস, ভিনিগার, আজিনোমোটো, আন্দাজমতো নুন ও গোলমরিচ দিয়ে একটু নেড়েচেড়ে ওতে সেদ্ধ করা নুডলস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। সবটুকু ঠিকমতো মিশে গেলে আঁচ থেকে নামান। তারপর প্লেট বা ডিশে সাজিয়ে আগে থেকে আলাদা করা মাংস ও ভেজিটেবল উপরে সুন্দর করে ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন। 

রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০

নুডুলস তৈরির পদ্ধতি। How to Cook Noodles?

 উপকরণ:- নুডুলস ৫০০ গ্রাম, ২ লিটার জল, ১ টেবিল চামচ বাদাম তেল বা সাদা তেল, স্বাদমতো নুন। 

পদ্ধতি:- একটি পাত্রে জল নিয়ে আঁচে বসান। এই জলে অল্প তেল ও প্রয়োজনীয় নুন মিশিয়ে দিন। জল বেশি ফুটে উঠলে পুরো নুডুলস দিয়ে দিন। মাঝেমধ্যে নেড়ে ৫ মিনিট ফোটান। এরপর হাতাতে তুলে দেখে নিন নরম হয়েছে কিনা। যদি নরম না হয় তাহলে আরও ১-২ মিনিট ফোটান। এইবার পাত্রটি নামিয়ে যথাসম্ভব জল ফেলে দিয়ে চুবড়িতে সব ঢেলে দিলেই জল পুরো ঝরে যাবে। এখন এর উপরে ঠান্ডা জল ঢালূন। তাহলেই ধোয়া হয়ে যাবে। এরপরে এই নুডুলসগুলি একটি বড়ো থালায় ছড়িয়ে রাখুন। এই সময় ১ চামচ তেল উপরে ছড়িয়ে দিন। তাহলেই চাওমিনের নুডুলস পুরোপুরি তৈরি হয়ে যাবে। 

শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০

সেঁকা ডিম রেসিপি। Baked Eggs Recipe

 পুর তৈরি ও অন্যান্য উপকরণ:- মাংসের কিমা ২৫০ গ্রাম, ২ টেবিল চামচ ভিনিগার, ১ আঁটি পার্সলে পাতা, আধ আঁটি সেলারি পাতা, স্বাদমতো নুন, পেঁয়াজ ১ টা কুচানো, ২ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, ৩ টা ডিম, ১ কিউব চিজ, ২ চা চামচ সাদা তেল। 

প্রণালী:- ডিম সেদ্ধ করে রাখুন। কড়াই আঁচে চাপিয়ে তেল ঢালুন। গরম হলে পুরের উপকরণ দিয়ে কম আঁচে ১৫ মিনিট রান্না করুন। এইবার ডিম অর্ধেক করে কেটে নিন। অর্ধেক ডিমের উপর ডিমের মতো করেই বাকি অর্ধেক অংশে পুর রাখুন। টুথপিক দিয়ে গেঁথে দিন তাহলে খুলে যাবে না। একটি বেকিং ট্রেতে মাখন মাখিয়ে ডিমগুলো রাখুন। চিজ কুরিয়ে উপরে ছড়ান। ২০০° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ১৫ মিনিট বেক করুন। বার করে গরম গরম পরিবেশন করুন। 

শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০

ডিম পালং শাক রেসিপি। Egg Spinach Recipe

 উপকরণ:- ২৫০ গ্রাম পালং শাক, ২ কোয়া রসুন কুচানো, ২ টা ডিম, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ কুচানো, আন্দাজমতো নুন-হলুদ-তেল। 

প্রণালী:- শাক কুচিয়ে প্রথমে সেদ্ধ করে চেপে জল ঝরিয়ে নিন। কড়াইতে তেল দিন। রসুন কুচি, পেঁয়াজ কুচি ও লঙ্কা কুচি দিয়ে বাদামি করে ভাজুন। এরপর নুন, হলুদ দিন। পালং শাক দিয়ে নেড়েচেড়ে জল শুকিয়ে এলে ডিম ফেটিয়ে কড়াইয়ে ঢালুন। ডিম ও শাক মাখামাখি হলে নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিন। গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন। 

বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২০

স্পঞ্জি ডিম গ্রেভি রেসিপি। Spongy Egg Gravy Recipe

 বানাতে কি কি লাগে?

- ৪ টি ডিম, ৪ খানা পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা ৫ টা, আন্দাজমতো আদা-রসুন-পেঁয়াজ, ১ চিমটি বেকিং পাউডার, ৩ টা আলু, ১ চা চামচ গরমমশলা, ১০০ গ্রাম টমেটো, পরিমাণ ও প্রয়োজন মতো নুন-হলুদগুঁড়ো-তেল-লঙ্কাগুঁড়ো। 

কিভাবে রান্না করবেন? 

- সর্বপ্রথম চারটে ডিম, চারটে পেঁয়াজ বেটে কাঁচালঙ্কা ও নুন দিয়ে ফেটিয়ে একটি স্টিল বা ননস্টিক বাটিতে তেল মাখিয়ে ঢালুন। এইবার প্রেসার কুকারে তিন কাপ জল দিয়ে বাটি বসান। ১২ মিনিট স্টিমে রেখে উনুনের আঁচ থেকে নামান। বাটি খুলে দেখতে পাবেন ডিম স্পঞ্জের মতো ফুলে উঠেছে। এখন এই ডিম স্পঞ্জ চৌকো চৌকো করে কেটে সাবধানে ভাজুন। আলুও টুকরো করে কেটে ভেজে আলাদা করে তুলে রাখুন। পেঁয়াজ, আদা, রসুন, লঙ্কা, টমেটো একসাথে ভেজে গ্রেভি বানিয়ে নিন। এতে আলু দিন। সেদ্ধ হলে ডিমের টুকরোগুলি দিয়ে কম জল দিন। মাখো মাখো হলে নামিয়ে নিন। 


বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০

বেগুন দিয়ে ডিমের ঝোল রেসিপি। Egg Curry With Brinjal Recipe

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম বেগুন, ২ টা ডিম, ১০০ গ্রাম টমেটো, ৫ খানা পেঁয়াজ, খানিকটা গরমমশলা গুঁড়ো, ৪ টি কাঁচালঙ্কা, প্রয়োজন মতো নুন-হলুদ-তেল, ৪ কোয়া রসুন থেঁতো করা। 

প্রণালী:- প্রথমে বেগুন ছোট করে কেটে হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন। একটি কড়াইতে তেল গরম করে তারমধ্যে রসুন ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। কিছুটা ভাজা ভাজা হয়ে এলে টমেটো, গরমমশলা ও কাঁচালঙ্কা দিন। একটু নেড়েচেড়ে ভেজে বেগুন, নুন, হলুদ দিয়ে একটু তেল ঢালুন। নেড়েচেড়ে ভাজুন। দুটি ডিম ফেটিয়ে এতে একটু একটু করে ছড়িয়ে দিন। বেশ মাখা মাখা হলে নামিয়ে গরম রুটি বা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন। 

মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০

মেয়োনিজ ডিম রান্না শিখুন। Learn How to Cook Mayonnaise Eggs at Home?

 উপকরণ:- ৬ টা ডিম, ২০০ গ্রাম বাদাম তেল বা স্যালাড অয়েল, ১ চা চামচ সরষের গুঁড়ো, ১ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো, ১ টা লেবু, ১ চা চামচ নুন। 

পদ্ধতি:- ২ বারে মেয়োনিজ তৈরি করতে হবে। প্রথমে তিনটি ডিম ভেঙে তারমধ্যে অর্ধেক বাদাম তেল থেকে আধ চা চামচ করে দিয়ে দিয়ে মিক্সিতে ফেটান। এইভাবে অর্ধেক বাদাম তেল পুরো দেওয়া হলে তাতে অর্ধেক সরষের গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো, আধ চামচ নুন দিয়ে মিক্সিতে মেশান। এরপরে এর মধ্যে অর্ধেক লেবুর রস দিয়ে ফেটান। এখন তৈরি হয়ে গেল মেয়োনিজ। ঢেলে রাখুন একটি কাচের পাত্রে। একই পদ্ধতিতে আরও ৩ টি ডিম ভেঙে বাকি উপকরণ মিশিয়ে মেয়োনিজ বানান। আগের মেয়োনিজের সাথে মিশিয়ে দিন। 

সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২০

তেঁতুল দিয়ে টক ডিম। Sour Eggs With Tanarind Recipe

 উপকরণ:- ৮ টা ডিম, ৪ টা পেঁয়াজ সরু করে কাটা, ১০০ গ্রাম সরষের তেল, ২ চা চামচ ঘি, ৫০ গ্রাম পাকা তেঁতুল, স্বাদমতো বা প্রয়োজন মতো হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো ও নুন। 

প্রণালী:- উনুনে বসিয়ে কড়াইতে তেল গরম করুন। এইবার তারমধ্যে কাটা পেঁয়াজ বাদামি করে ভাজুন। এরপরে হলুদ, লঙ্কা ও নুন দিয়ে জল ছিটিয়ে দিন। ভালো করে নেড়েচেড়ে দুইকাপ জল দিন। এখন একটা একটা করে ডিমগুলো ভেঙে কড়াইতে দিতে থাকুন। উপরে পুরো ঘি ছড়িয়ে দিয়ে ঢাকনা চাপা দিন। ১০ মিনিট পর পাকা তেঁতুল জলে চটকে সেই জল কড়াইতে ঢালুন। আর একটু জল দিয়ে দশ মিনিট পরে কড়াই নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। ভাত বা রুটির সাথে খেতে ভালোই লাগে। 

বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০

ঘরেই বানান মোগলাই মুর্গ মশল্লম। Mughlai Murgh Musallam Recipe

 উপকরণ:- চার টুকরো করে কাটা ১ টা বড়ো মুরগি, ১৫০ গ্রাম টকদই, ৭-৮ খানা মাঝারি আকারের পেঁয়াজ, ১ টেবিল চামচ গরমমশলা গুঁড়ো, ১ চামচ শা জিরে, হাফ চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, ৪ টি শুকনো লঙ্কা, ২ টি কাঁচালঙ্কা, ৮ কোয়া রসুন, হাফ ইঞ্চি আদা, ১৫০ গ্রাম ঘি, স্বাদমতো নুন। 

পদ্ধতি:- একটা পেঁয়াজ, শুকনো লঙ্কা, কাঁচা লঙ্কা, আদা ও রসুন একসাথে ভালো করে বেটে নিন। বাকি পেঁয়াজ কুচিয়ে রাখুন। মুরগির মাংস ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখুন। এবার একটি কড়াইতে বা ফ্রাইপ্যানে কিছুটা ঘি গরম করে পেঁয়াজ কুচি ও বাকি গোটা মশলা নেড়েচেড়ে ভাজুন। পেঁয়াজে রঙ ধরলে তুলে নিয়ে ঠান্ডা করে শিলে বেটে দই ফেটিয়ে তাতে মিশিয়ে নিন। এইবার বাকি ঘি ঐ পাত্রে ঢেলে গরম করে বাকি বাটা মশলা ও মুরগি দিয়ে নেড়েচেড়ে ভাজুন। মুরগিতে রঙ ধরলে দুইকাপ গরম জল ওর মধ্যে দিয়ে সেদ্ধ করুন। মুরগির মাংস প্রায় সেদ্ধ হয়ে এলে ফেটানো টকদই, মশলা ও নুন ওতে ঢেলে দিয়ে আবার সেদ্ধ করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে গা মাখা কাই মতো হলে নামিয়ে পরিবেশন করুন। 

মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০

চিকেন চাঁপ ভাজা রেসিপি। Chicken Chaap Fry Recipe

 উপকরণ:- ১ টা বড়ো মুরগি ৪ টুকরো করে কাটা, ২ টা বড়ো পেঁয়াজ, ৫ কোয়া রসুন, ১ চামচ আদাবাটা, সোয়া এক চামচ জয়িত্রী গুঁড়ো, ১ চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, হাফ চামচ গরমমশলা গুঁড়ো, ২ চামচ কেওড়া জল, ২ ফোঁটা মিষ্টি আতর, ৫০ গ্রাম টকদই, ১৫০ গ্রাম ভাজার জন্য ঘি বা বনস্পতি, আন্দাজমতো নুন। 

প্রণালী:- মুরগির মাংস পরিষ্কারভাবে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। আদা, পেঁয়াজ ও রসুন বাটা ন্যাকড়ায় চেপে রস বের করে সেই রস গোলমরিচ গুঁড়ো, জয়িত্রী, গরমমশলা, নুন ও টকদইয়ের সাথে মিশিয়ে নিন। এইবার তাতে কেওড়া জল ও মিষ্টি আতর মিশিয়ে মাংসে মাখিয়ে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা রেখে দিন। এবার কড়াইতে বা ফ্রাইপ্যানে ঘি বা বনস্পতি গরম করে মশলা মাখানো মাংস ছেড়ে দিয়ে অল্প আঁচে এপিঠ ওপিঠ লালচে করে ভাজুন। রুটি বা পরোটার সাথে খেতে দারুণ লাগে। 

সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০

মুরগির দো পেঁয়াজা রেসিপি। Chicken Do Pyaza Recipe

  উপকরণ:- ছোট টুকরো করে কাটা ১ কেজি মুরগির মাংস, ২৫০ গ্রাম পেঁয়াজ কুচানো, ২ টি পেঁয়াজ বাটা, ২ চামচ আদাবাটা, ১ চামচ রসুন বাটা, হাফ চামচ হলুদগুঁড়ো, ১ চামচ লঙ্কাগুঁড়ো, ২০০ গ্রাম টকদই, ১ চামচ চিনি, ১ টেবিল চামচ গরমমশলা গুঁড়ো, ২-৩ টা তেজপাতা, ২০০ গ্রাম ঘি, আন্দাজমতো নুন। 

রান্নার প্রক্রিয়া:- পুরো মাংস পরিষ্কার করে ধুয়ে জল ভালো করে ঝরিয়ে নিন। দই ফেটিয়ে আদা, রসুন, হলুদ, লঙ্কা, পেঁয়াজ বাটা এবং চিনি মিশিয়ে তাতে মাংসের টুকরোগুলো দিয়ে ম্যারিনেট করে ঘন্টাখানেক রেখে দিন। এবার একটি কড়াইতে ঘি গরম করে ওতে কুচানো পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে ঘি ঝরিয়ে আলাদা একটি পাত্রে রেখে দিন। কড়াইয়ের বাকি ঘিতে তেজপাতা, গরমমশলা দিয়ে নেড়ে তাতে ম্যারিনেট করা মাংস পুরোটা দিয়ে দিন। নাড়াচাড়া করে কষে তাতে স্বাদমতো নুন দিয়ে ২ কাপ জল ওর মধ্যে ঢেলে ঢাকা দিয়ে সেদ্ধ করুন। যখন দেখবেন যে মাংস সেদ্ধ হয়ে জল মজে গিয়ে ঘি ভেসে উঠেছে তখন নামিয়ে উপরে ভাজা পেঁয়াজ ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। 

রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০

নারকেল মুরগি রেসিপি। How to Cook Chicken Coconut Milk Curry at Home?

 উপকরণ:- ৮-১০ টুকরো করে কাটা ১ কেজি মুরগির মাংস, ১ টা ছোট নারকেল, ১০০ গ্রাম পেঁয়াজকলি, ৬ কোয়া রসুন, ২ টা লেবু, ১ আঁটি ধনেপাতা, ৬ টা কাঁচালঙ্কা, আন্দাজমতো নুন। 

রান্নার প্রক্রিয়া:- মুরগির মাংসের টুকরোগুলো পরিষ্কার করে ধুয়ে নুন মাখিয়ে রাখুন। এইবার নারকেল কুরে নিন। তাতে দুইকাপ গরম জল দিয়ে ছেঁকে নারকেলের দুধ বের করুন। এই দুধ বেশ ঘন হবে। একই নারকেলে আরও দুইকাপ গরম জল দিয়ে ছেঁকে আরও দুধ বের করে নিন। এবারের দুধ একটু পাতলা হবে। অপরদিকে লেবুর খোসা কুরিয়ে তার সাথে পেঁয়াজকলিকুচি, কাঁচালঙ্কা, রসুন ও অর্ধেক  ধনেপাতা বেটে রাখুন। বাকি ধনেপাতা পরে সাজাবার জন্য রেখে দিন। পাতলা নারকেলের দুধে মুরগির মাংস দিয়ে আঁচে চাপান। ফুটে উঠলে মাংস সেদ্ধ স্টক থেকে অর্ধেকটা তুলে নিন। একটা কড়াইতে এই অর্ধেক স্টক ঢেলে আঁচে বসান। ওর মধ্যে বাটা মশলা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। মাংসের মধ্যে এই মশলা পুরো ঢেলে দিন। এরপরে ঘন নারকেলের দুধ দিয়ে আঁচে বসিয়ে ৫ মিনিটের মতো সময় ধরে নাড়তে থাকুন। একটি লেবুর রস ও স্বাদমতো নুন দিয়ে সেদ্ধ করুন। মুরগি পুরো সেদ্ধ হলে নামিয়ে নিন। লেবুর স্লাইস ও ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। 

সয়া চিকেন রেসিপি। How to Cook Soya Chicken Easily?

 উপকরণ:- টুকরো করে কাটা ১ কেজি মুরগির মাংস, ১৫০ গ্রাম সয়াসস, থেঁতলে রস বের করা ১০-১২ টা পেঁয়াজ, ১ চা চামচ রসুন বাটা, কিছুটা আদা বাটা, ২ চামচ চিলি সস, আন্দাজমতো নুন ও তেল। 

পদ্ধতি:- মুরগির টুকরোয় সব মশলা ও সস মাখিয়ে ৪-৫ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। কড়াই আঁচে বসিয়ে তেল গরম করুন। গরম হলে মাংসের টুকরোগুলো থেকে মশলা ঝরিয়ে তেলে ছাড়ুন। তারপর একটি বেকিং বোলে ভাজা মুরগি ও মাংসের গা ঝরানো মশলা কুড়ি মিনিট বেক করুন। ২০ মিনিট পরে বোলটা বের করে মুরগির টুকরোগুলো উল্টে আরও কুড়ি মিনিট বেক করে নিন। ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে গেলে বের করে গরম অবস্থায় পরিবেশন করুন। 

শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০

মালাই মুর্গ রেসিপি। How to Cook Malai Murg at Home?

 উপকরণ:- ১ টা ছোট মুরগি, ২ টা মাঝারি আকারের পেঁয়াজ, সামান্য লঙ্কাবাটা, ৮ খানা বড়ো এলাচ, ৫ খানি ছোট এলাচ, আড়াই টেবিল চামচ বাদামতেল, আন্দাজমতো নুন, ২৫০ গ্রাম ফ্রেশ ক্রিম। 

পদ্ধতি:- আগে পেঁয়াজ ঝুরো করে কেটে ও দুরকমের এলাচও গুঁড়ো করে রাখুন। তারপর কড়াইতে তেল গরম করে নিন। তাতে ঝুরো পেঁয়াজ ভেজে মুরগির টুকরোগুলো দিন। কিছুক্ষণ ভাজার পর লঙ্কা ও নুন দিয়ে আবার ভাজুন। মুরগি সেদ্ধ হয়ে এলে ক্রিম ঢালুন। ক্রিম থেকে তেল বের হয়ে আসতে থাকলে এলাচগুঁড়ো দিয়ে নামিয়ে নিন। 

চিকেন রিসোটো কিভাবে বানায়। Chicken Risotto Recipe

 উপকরণ:- ২০০ গ্রাম বাসমতি চাল, টুকরো করা বোনলেস চিকেন ৪০০ গ্রাম, ১ টেবিল চামচ ভিনিগার, ১ কাপ বিন-গাজর-ক্যাপসিকাম কুচি একসাথে, আধ কাপ পেঁয়াজকুচি, ১ চা চামচ রসুন বাটা, দেড় চামচ নুন, ১ চা চামচ কাশ্মীরি লঙ্কাগুঁড়ো, আধ কাপ টমেটো সস, আধ কাপ সাদা তেল, ২ টা করে ছোট এলাচ ও লবঙ্গ। 

প্রণালী:- প্রথমে ঝরঝরে ভাত করে নিন। কড়াইতে অর্ধেক তেল ঢেলে গরম করুন। তেলে গরমমশলা ফোড়ন দিয়ে ভাত দিন। ভাত সামান্য ভেজে স্বাদমতো নুন ছড়িয়ে দিন। একটা আভেনপ্রুফ ডিশে মাখন লাগিয়ে তার উপর ভাত ছড়িয়ে রাখুন। মাংস ও সমস্ত সবজি আলাদা ভাবে ভিনিগারে ভিজিয়ে একঘন্টা রেখে দিন। অন্যদিকে আঁচে বসানো কড়াইতে তেল দিয়ে গরম করে পেঁয়াজ ও রসুন বাটা দিন। সামান্য রঙ ধরলে টুকরো করা মুরগি দিন। অল্প আঁচে ভাজুন। এবার সব সবজির টুকরো দিয়ে ভাজতে থাকুন। লঙ্কাগুঁড়ো ও টমেটো সস দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ভেজে ভাতের ঠিক মাঝে সবটা ঢেলে কুচানো পার্সলেপাতা উপরে ছড়িয়ে দিন। আভেনপ্রুফ ডিশখানি মাইক্রোওভেনে দিয়ে ৫-৬ মিনিট গ্রিল করলেই এই উপাদেয় খাবারটি তৈরি। 

শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০

চিকেন পিসাতা উইথ রাইস। Chicken Piccata With Rice Recipe

 উপকরণ:- ১ টা বড়ো মুরগি, ৩ খানা পেঁয়াজ, ৬ কোয়া রসুন, ১০ টা গোলমরিচ, ৫ টা লবঙ্গ, ২-৩ টা তেজপাতা, আন্দাজমতো নুন, ২ চামচ পাতিলেবুর রস, আধ কাপ ক্রিম, পার্সলে পাতা, ১ কাপ ধনেপাতা কুচি ও মাশরুম একসাথে, সরু চাল ৫০০ গ্রাম, ১ বড়ো চামচ সেলারি কুচি, প্রয়োজন মতো ডিম ও মাখন। 

প্রণালী:- সবার আগে মুরগিটাকে মাঝারি সাইজে টুকরো করুন। পেঁয়াজকুচি, গোলমরিচ, লবঙ্গ, তেজপাতা, রসুন, নুন একটি পাত্রে রেখে তারমধ্যে মাংস ও জল ঢেলে সেদ্ধ করুন। প্রেসার কুকারেও সেদ্ধ করতে পারেন। সেদ্ধ হয়ে গেলে মাংস ও মাংসের স্টক বা মাংস সেদ্ধ জল আলাদা করে রাখুন। চাল আলাদা ভাবে ভেজা কাপড়ে মুছে ২ টেবিল চামচ মাখনে মিনিট তিনেক ভেজে নিন। এইবার ২৫০ গ্রাম চাল ভরা মাপের গ্লাসের তিন গ্লাস স্টক ঢালুন। পরিমাণমতো নুন দিয়ে কুকারের মুখ বন্ধ করুন। ভালো করে সেদ্ধ হয়ে গেলে পাতিলেবুর রস, ক্রিম ও পার্সলে পাতা মাখিয়ে রাখুন। এবার প্লেটের মাঝে মাংস রেখে চারপাশে ভাত সাজিয়ে দিন। মাশরুম ২ চামচ মাখনে ভেজে মাংসে মেশান। এর উপরে ডিমসেদ্ধ কেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। 

বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২০

শাহি পসিন্দা কাবাব রেসিপি। Shahi Pasinda Kabab Recipe

 উপকরণ:- ১ কেজি হাড় ছাড়ানো মাংস, ১ টেবিল চামচ পোস্তবাটা, ১ কাপ টকদই, ১ টেবিল চামচ আদাবাটা, ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজবাটা, ১ চা চামচ রসুন বাটা, লঙ্কাগুঁড়ো ও হলুদগুঁড়ো এবং জিরেগুঁড়ো ১ চা চামচ করে, ২ চা চামচ চিনি, আধ চা চামচ জাফরান, আধ কাপ গোলাপ জল, স্বাদমতো নুন, আধ কাপ বাদামতেল।

প্রণালী:- বাজার থেকে আনা হাড় ছাড়ানো মাংস শক্ত কিছুর উপর রেখে চ্যাপ্টা কাঠ দিয়ে ঠুকুন যাতে টুকরো গুলি চ্যাপ্টা হয়ে যায়। তারপর ২ ইঞ্চি টুকরো করে কেটে নিন। চিনি, গোলাপজল, তেল ও জাফরান বাদে সব মশলা মাংসে মাখিয়ে এক ঘন্টার মতো রেখে দিন। যদি মাংস একটু নরম খেতে চান তাহলে এরসাথে এক চা চামচ কাঁচা পেঁপেবাটাও দিতে পারেন। এবার একটা বড়ো ডেকচি গরম করে তাতে চিনি ছড়িয়ে দিন। চিনিতে বাদামি রঙ ধরলে উপর থেকে মশলামাখানো মাংস ঢেলে দিন। তেলটা আলাদা পাত্রে গরম করে মাংসের উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিন। এইবার ডেকচিটা দুইপাশ থেকে শক্ত করে ধরে গোল করে ঘোরান। মাংস উল্টে দিন। আঁচ কমিয়ে দিয়ে একটু পরে দেখুন সেদ্ধ হলো কিনা। মাংস রেডি হলে তেল ভেসে উঠবে। কিন্তু সাবধান, বেশি নাড়াচাড়া করবেন না। এবার জাফরান গোলাপ জলে থেঁতলে উপর থেকে ঢেলে দিন। সবশেষে খুব সামান্য উত্তাপে ডেকচিটা খানিকটা সময় বসিয়ে রাখবেন। পরিবেশনের সময় একেবারে ডেকচির নীচ থেকে চেঁছে তুলবেন। গরম গরম পরোটা বা তন্দুরি রুটির সাথে পরিবেশন করবেন। 

বাংলায় হান্ডি কাবাব রেসিপি। Handi Kabab Recipe

 বানাতে কি কি কাঁচামাল লাগে? 

- ১ কেজি ছোট আকারে কাটা পাঠার মাংসের কিমা, ৬ টা মাঝারি আকারের পেঁয়াজ, আন্দাজমতো পরিমাণে আদা-রসুন-ধনে-জিরে একসাথে বাটা, ২৫০ গ্রাম সরষের তেল, ৩ চা চামচ লঙ্কাগুঁড়ো, স্বাদমতো নুন, ৪ টা লেবু, কয়েকটি তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা, আন্দাজমতো গরমমশলা, অল্প পেঁপে বাটা, ৩০০ গ্রাম আটা। 

কিভাবে তৈরি করবেন? 

- মাংস ধুয়ে সমস্ত মশলা, নুন ও লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মাখুন। পেঁপে বাটা, গরমমশলা, তেজপাতা ও শুকনো লঙ্কা মাংসে মাখিয়ে আরও কুড়ি মিনিট রেখে দিন। একটি মাঝারি মাপের হাঁড়িতে তেল ঢেলে আঁচে বসান। এতে পেঁয়াজকুচি দিয়ে লাল করে ভেজে উপর থেকে মশলা মাখানো মাংস দিয়ে আন্দাজমতো জল দিয়ে ঢাকা দিন। অপরদিকে এর অনেক আগে আটা জল দিয়ে মেখে রেডি রাখবেন। হাঁড়ির ঢাকার চারপাশে এই মাখা আটা এমনভাবে লাগান যাতে হাঁড়ির ভাপ বেরিয়ে না যায়। মিনিট কুড়ি-পঁচিশ রান্না হলে মাংস পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে যাবে। অর্থাৎ, আপনার প্রিয় হান্ডি কাবাব পুরো তৈরি। এবার উনুন থেকে হাঁড়ি নামিয়ে ভাত বা পরোটার সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন। 

বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২০

কিভাবে আড় মাছের কাবাব রান্না করবেন? Aar Fish Kabab Recipe

 উপকরণ:- ৬ টুকরো আড় মাছ, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ বাটা, দেড় টেবিল চামচ আদা বাটা, ১ চা চামচ রসুন বাটা, ৮ খানা কাঁচালঙ্কা কুচানো, আন্দাজমতো নুন, সামান্য চিনি, ১ টা মাঝারি আকারের আলু সেদ্ধ, ২০০ গ্রাম বাদাম তেল, সামান্য বেসন। 

প্রণালী:- অল্প জল দিয়ে মাছ সেদ্ধ করে কাঁটা বের করে নিন। একটি পাত্রে কাঁটা ছাড়ানো মাছ ও সেদ্ধ আলু মাখুন। এর মধ্যে নুন, চিনি, আদা, রসুন ও পেঁয়াজের রস ছাড়া পেঁয়াজবাটা ভালো করে মেশান। হাতে অল্প বেসন নিন। মাছের মিশ্রণ থেকে অল্প করে তুলে বেসনে দিয়ে চপ বা কাবাবের আকারে গড়ে একটি পাত্রে সাজিয়ে রাখুন। কড়াইতে বেশি করে তেল গরম করে প্রতিবারে তিনটি কাবাব ছাড়ুন। কাবাবের রঙ বাদামি না হওয়া পর্যন্ত ভাজতে হবে। খেয়াল রাখবেন আঁচ যেন বেশি না হয়। ঢিমে আঁচে কাবাব ভেজে কাঁচা পেঁয়াজ ও সসের সাথে গরম গরম খেতে দারুন লাগবে। 

রুই মাছের কাবাব। Ruhi Fish Kabab Recipe

 উপকরণ:- ১ কেজি রুই মাছ, ২৫০ গ্রাম পেঁয়াজ, ২৫ গ্রাম রসুন, ২৫ গ্রাম আদা, ১ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচানো, ৬ টা কাঁচালঙ্কা কুচি, ১ টা লেবু ( যেকোন ), ৫ খানা তেজপাতা, ১ চা চামচ বেসন, এক টেবিল চামচ তেল, প্রয়োজনীয় পরিমাণে বিস্কুটের গুঁড়ো। 

পদ্ধতি:- মাছে লেবু মাখিয়ে তেজপাতা দিয়ে ভাপিয়ে নিন। মাছের কাঁটা ছাড়িয়ে রাখুন। মাছের মধ্যে কুচানো পেঁয়াজ, আদা, রসুন দিয়ে চটকে নিন। কড়াইতে সামান্য তেল দিয়ে মাছের মিশ্রণটা দিয়ে দিন। এইবার নাড়াচাড়া করতে থাকুন। নামাবার আগে অল্প বেসন দিয়ে নেড়েচেড়ে বড় থালায় ঢালুন। একটু ঠান্ডা হতে দিন। তারপর ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা কুচি দিয়ে ভালো করে ঠাসুন। ঐ মাছের তাল থেকে গোল বল গড়ে নিন। মাছের বলগুলো হাতের তালুতে চেপে চ্যাপ্টা করে বিস্কুটের গুঁড়ো মাখিয়ে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। পরিবেশনের আগে ননস্টিক প্যানে দুইদিক সেঁকে মাস্টার্ড ও স্যালাড সহযোগে খান বা খেতে দিন। 

মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০

সহজে কিমা কাবাব বানানো শিখুন। Kima Kabab Recipe

 উপকরণ:- ( কাবাবের জন্য:- ১ টা বড়ো নারকেল, ২০০ গ্রাম সেদ্ধ করা কিমা, ২-৩ টা সিদ্ধ করা আলু, ৫০ গ্রাম কিশমিশ, ২৫ গ্রাম খোসা ছাড়ানো চিনে বাদাম, ৫০ গ্রাম সুজি, ২ টা পেঁয়াজ কুচানো, ২ চা চামচ আদাবাটা, ৪-৫ কোয়া রসুন বাটা, ২ চামচ হলুদ গুঁড়ো, স্বাদমতো লঙ্কাগুঁড়ো, এক চা চামচ শা জিরে, গরমমশলা গুঁড়ো, পরিমাণমতো রিফাইন্ড তেল, ২ খানা ডিম, ১ কাপ ব্রেডক্রাম্ব, ১ চামচ ভিনিগার।) ( পুরের জন্য:- ১ টা আলুসেদ্ধ, ১ টা পেঁয়াজ কুচানো, ৩-৪ খানা কাঁচালঙ্কা কুচানো, এক আঁটি ধনেপাতা কুচানো, ৩ টেবিল চামচ লেবুর রস, চিনাবাদাম, স্বাদমতো নুন।) 

প্রণালী:- কুরানো নারকেল, আলু, কিমা, সুজি, কিশমিশ, ভিনিগার একসাথে ভালো করে মেখে দশ-পনেরো মিনিট রেখে দিন। পুরের জন্য পেঁয়াজকুচি, আলু, লেবুর রস, কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতা, চিনে বাদাম ও নুন একসাথে মেখে নিন। এরপরে একটি কড়াইতে তেল গরম করে কিমার মিশ্রণ দিয়ে ৫-৬ মিনিট নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন। একই গরম কড়াইতে আরও তেল গরম করে তাতে শা জিরে ফোড়ন দিন। আদাবাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ কুচি, গুঁড়ো মশলা দিয়ে ভাজা ভাজা করে কিমার মিশ্রণ ছাড়ুন। আবার নাড়াচাড়া করে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। ঠান্ডা কিমার মিশ্রণ থেকে অল্প করে নিয়ে লেচি বানান। প্রতিটি লেচির ভিতর কিছুটা করে পুরের মশলা ভরে রাখুন। একটা পাত্রে ডিম ফেটিয়ে নিন। পুর ভরা লেচি ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে ব্রেডক্রাম্বের উপর দিয়ে গড়িয়ে গরম তেলে ভেজে তুলুন। নিজে খান, অপরকে খাওয়ান। 

মুর্গ কাবাব তৈরির পদ্ধতি। Murg Kabab Easy Recipe

 উপকরণ:- ১ টা মাঝারি সাইজের মুরগি, ২ টা পাতিলেবু, ১ চা চামচ গোটা জিরে, ৪ চা চামচ লঙ্কাবাটা, ২ চা চামচ গরমমশলা বাটা, ৩ টেবিল চামচ সূর্যমুখীর তেল, আন্দাজমতো নুন। 

প্রণালী:- মুরগি টুকরো করে একটি বড়ো বাসনে রাখুন। জিরে, লঙ্কাবাটা, নুন ও পাতিলেবুর রস সহযোগে টুকরোগুলো মেখে হালকা আঁচে উনুনে বসান। প্রয়োজনে মুরগি সেদ্ধ করার জন্য জলও দিতে পারেন। টুকরোগুলো খানিকটা নরম হয়ে এলে গরমমশলা বাটা ওতে দিন। মুরগি ভালোমতো সেদ্ধ হলে ও শুকনো হলে উনুন থেকে নামিয়ে নিন। ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে মুরগির টুকরোগুলো ভেজে পরিবেশন করুন। 

রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০

স্টাফড পমফ্রেট মাছ ভাজা। Stuffed Pomfret Fry Recipe

 উপকরণ:- ৪ টা পমফ্রেট মাছ, ২ কাপ পেঁয়াজ কুচানো, ৬ কোয়া রসুন, ১ টেবিল চামচ কাঁচালঙ্কা কুচি, ১ কাপ কুরানো নারকেল, ৩ পিস পাঁউরুটি, আধা কাপ পুদিনা ও ধনেপাতা কুচি, ১ টেবিল চামচ তেঁতুলের কাই, স্বাদমতো নুন ও চিনি, আধ চা চামচ গরমমশলা গুঁড়ো, সোয়া এক কাপ ভিনিগার, সামান্য কেশরি রঙ। 

প্রক্রিয়া:- প্রথমে মাছ জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে পাশ থেকে চিরে পেটের ভিতরের ময়লা বের করুন। এরপর ভিনিগার, নুন, সামান্য পেঁয়াজ ও রসুন বাটা মাছে মাখিয়ে রাখুন। ( মাছের পুর তৈরির পদ্ধতি:- এবার কড়াইতে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ ও রসুনকুচি দিয়ে ভাজুন। সামান্য ভাজা ভাজা হয়ে এলে নারকেল কোরা ও বাকি সব মশলা দিয়ে ভাজুন। তারপরে পাঁউরুটি গুঁড়ো করে একসাথে ভাজুন। বেশ ভালো করে ভাজা হয়ে এলে তেঁতুলগোলা ও গরমমশলা দিয়ে নামিয়ে নিন। মাছের পুর রেডি )। এই পুর চারভাগে ভাগ করে মাছের পেটে ভরে দিন। সুতো দিয়ে পেটটা ভালো করে বেঁধে দিন। এইবার মাছগুলোর গায়ে সামান্য কেশরি রঙ মাখান। মাছগুলোকে মাইক্রো ওভেনে বেক করুন। যদি মাইক্রো ওভেন না থাকে তাহলে কড়াইতে বেশি তেলে ডুবিয়ে ভাজুন। আলুভাজা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। 

শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০

মুচমুচে তপসে মাছ ভাজা। Crispy Tapse Fish Fry Recipe

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম তপসে মাছ, ৬ টা ডিম, ৩৫০ গ্রাম বিস্কুটের গুঁড়ো, অল্প আদাবাটা, ৩-৪ টা পেঁয়াজ, স্বাদমতো নুন, ভিনিগার, বাদামতেল অথবা সরষের তেল প্রয়োজন মতো। 

পদ্ধতি:- প্রথমে মাছ কেটে বেছে ধুয়ে তাতে আদাবাটা, পেঁয়াজবাটা ও নুন দিয়ে মাখিয়ে ভিনিগারে ভিজিয়ে রাখুন। অন্য একটি পাত্রে ছয়টি ডিম ফেটান। মাছগুলো একটি একটি করে ডিমের গোলায় চুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়োয় মাখিয়ে গরম তেলে ভেজে তুলুন। সস দিয়ে খান বা খিচুড়ির সাথে পরিবেশন করুন। 

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০

পাসাটা চিঙড়ি রেসিপি। Pasata Chingri Recipe

 উপকরণ:- ১ কাপ ঝিনুক ম্যাকারনি, অর্ধেক কাপ স্লাইস করা মাশরুম, ১ কাপ ক্যাপসিকাম টুকরো, আধ কাপ সেদ্ধ চিঙড়ি, টুকরো করা ১ টা টমেটো, ১ টা কুচানো পেঁয়াজ, আধ চা চামচ চিলি সস, আধ কাপ দুধ, ১ চা চামচ ময়দা, ১ টেবিল চামচ মাখন, ১ চিমটি জায়ফলগুঁড়ো, আন্দাজমতো লেবুর রস ও নুন। 

প্রণালী:- মাখন গরম করে তাতে পেঁয়াজ সামান্য ভেজে ক্যাপসিকাম, টমেটো ও মাশরুম ছেড়ে নাড়াচাড়া করুন। ম্যাকারনি আগে থাকতেই জলে ফুটিয়ে সেদ্ধ করে রাখবেন। এইবার ম্যাকারনি, চিঙড়ি, রসুন, সস, লেবুর রস ও নুন এই তরকারিতে দিয়ে অল্প রান্না হলে দুধ ও ময়দা একসাথে গুলে ঢালুন। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে জায়ফল গুঁড়ো দিয়ে উনুন থেকে নামিয়ে নিন। 

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০

চিতল মাছের কোর্মা রেসিপি। Chital Fish Korma Recipe

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম চিতল মাছের গাদা, ৪ টি মাঝারি আকারের আলু, ২ টা বড়ো পেঁয়াজ বাটা, ২ ইঞ্চি আদা বাটা, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, হাফ চা চামচ করে জিরে ও লঙ্কার গুঁড়ো, প্রয়োজনমতো সাদা তেল, ২ টা তেজপাতা, ৪ টা ছোট এলাচ, ২ টুকরো দারচিনি।  

প্রণালী:- গাদার মাঝখানে কাঁটা রেখে দুইপাশ দিয়ে লম্বা করে মাছ চেঁছে তুলে নিন। এবার প্রেশারকুকারে আলু সেদ্ধ করে ভালো করে মেখে নিন। এর সাথে মাছ, নুন, হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো ও চিনি দিয়ে খুব ভালো করে মেখে ৪-৫ টা লেচি কেটে গোল গোল করে বানান। জলে এই লেচিগুলো ৫ মিনিটের মতো ফুটিয়ে তুলে জল ঝরিয়ে ঠান্ডা করুন। প্রত্যেকটি লেচি চৌকো করে কেটে গরম তেলে লাল করে ভেজে তুলুন। এরপর কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ, আদা দিয়ে লাল করে কষে তাতে এলাচ, দারচিনি গুঁড়ো, হলুদ, জিরে, লঙ্কাগুঁড়ো, তেজপাতা দিয়ে নাড়াচাড়া করে জল দিন। ফুটে উঠলে মাছভাজাগুলো ঝোলে ছাড়ুন। স্বাদমতো নুন ও চিনি দিন। মশলা ভাজার সময় টমেটোও দিতে পারেন। ঝোল শুকিয়ে এলে একটু কর্ণফ্লাওয়ার গুলে ঢেলে দিন। এক চামচ ঘি দিয়ে আর একটু ফুটিয়ে নিন। তাহলেই আপনার পছন্দের চিতল মাছের কোর্মা পুরোপুরি তৈরি। 

বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২০

তেরঙ্গা মছলি রেসিপি । Teranga Fish Masala Curry Recipe

 উপকরণ:- ২০০ গ্রাম ভেটকি মাছের ফিলে, ৪ টেবিল চামচ রসুনের রস, ১ টা গোটা লেবুর রস, স্বাদমতো নুন, টমেটোর সস-কাসুন্দি-ধনেপাতার চাটনি আন্দাজ মতো ( এই চাটনির জন্য লাগবে ১০০ গ্রাম ধনেপাতা, গোটা লেবুর রস, নুন ও চিনি স্বাদমতো )। 

প্রণালী:- ননস্টিক ফ্রাই প্যানে মাছের ফিলে রেখে নুন, রসুনের রস ও লেবুর রস দিয়ে ঢাকা দিন। অল্প আঁচে পাঁচ মিনিটের মতো রান্না করুন। তাহলে বেশ নরম হয়ে আসবে। এবার ধনেপাতার চাটনির জন্য ধনেপাতা বেটে নিন। ওর মধ্যে লেবুর রস, চিনি ও নুন দিয়ে ভালো করে মেশান। একটি চ্যাটালো পাত্রে মাছের টুকরোগুলি রেখে তার উপর সস, কাসুন্দি ও ধনেপাতার চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন। দুর্দান্ত স্বাদের এই রেসিপি। 

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০

মছলি অমৃতসারি সহজে রান্না করুন। Amritsari Fish Fry Recipe

সাধারণ উপকরণ:- স্লাইস করা ৮০০ গ্রাম রুইমাছ, ভাজার জন্য প্রয়োজন মতো বাদাম তেল, ২ টেবিল চামচ চাটমশলা, ৩ টি লেবুর খোসা কুরোনো। 

গ্রেভি তৈরির উপকরণ:- ৬০ গ্রাম বেসন, ৬০ গ্রাম ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার ৭০ গ্রাম, স্বাদমতো নুন, ২ খানা ডিম, ১৫ গ্রাম জোয়ান, ৩০ গ্রাম আদা বাটা, ৪০ গ্রাম রসুন বাটা, ৩ টেবিল চামচ শুকনো লঙ্কাগুঁড়ো, ১ টা লেবুর রস, সামান্য কমলা খাবার রঙ। 

পদ্ধতি:- গ্রেভির সমস্ত উপকরণ একসাথে গুলে ওর মধ্যে মাছের স্লাইসগুলো ডুবিয়ে রাখুন। এক থেকে দেড় ঘন্টা এইভাবে রাখার পর গরম বাদাম তেলে মুচমুচে করে ভেজে নিন। সবকয়টি ভাজার পর তুলে নিয়ে চাট মশলা ও লেবুর রস ছড়িয়ে লেবু ও পেঁয়াজ দিয়ে পরিবেশন করুন। 

সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০

লোভনীয় ঝিঙা খুরচা রেসিপি। Jhinga Khurcha Recipe

 উপকরণ:- ১৫-১৬ টা মাঝারি সাইজের চিঙড়ি মাছ, অর্ধেক রসুন কুচানো, আধা ইঞ্চি আদা কুচি, ২ টা কাঁচালঙ্কা কুচানো, ১ টেবিল চামচ শুকনো লঙ্কাগুঁড়ো, আধ চা চামচ হলুদগুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ ফেটানো দই, স্বাদমতো নুন, অর্ধেক চা চামচ জোয়ান, ২ টি ছোট এলাচ, ১ কাপ টমেটো পিউরি, ১ টেবিল চামচ তেল, আন্দাজমতো ধনেপাতা কুচি, চৌকো করে কাটা ২৫ গ্রামের মতো পেঁয়াজ, চৌকো করে কুচানো ৩০ গ্রাম টমেটো, চৌকো করে কাটা ৩০ গ্রাম ক্যাপসিকাম। 

প্রণালী:- চিঙড়ির খোসা ছাড়িয়ে জল দিয়ে ধুয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। তারপর একটি কড়াইতে তেল গরম করে তাতে জোয়ান, কুচানো রসুন, ও ছোট এলাচ দিয়ে টমেটো পিউরি ঢেলে দিন। এবার আদাকুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি দিয়ে এক-দুই মিনিট নেড়েচেড়ে শুকনো লঙ্কাগুঁড়ো, হলুদগুঁড়ো ও ফেটানো দই ঢালুন। মিনিট দুয়েক সাৎলানোর পরে চিঙড়ি মাছগুলো ছেড়ে দিয়ে কড়াই ঢাকা দিন। এইভাবে মিনিট পাঁচেক রান্না করার পর পেঁয়াজ, টমেটো, ক্যাপসিকাম দিয়ে ঢাকা খুলে রাখুন। কিছুটা শুকনো হয়ে এলে বুঝবেন রান্না হয়ে গেছে। তখন উনুন থেকে কড়াই নামিয়ে একটি পাত্রে ঢেলে নিয়ে পরিবেশন করুন। 

রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০

ইলিশ মাছের টেঙা বা টেঙ্গা রান্নার রেসিপি। Hilsa Fish Tenga Recipe

 উপকরণ:- বড়ো বা মাঝারি সাইজের একটি ইলিশ মাছ, প্রয়োজন অনুসারে হলুদ, স্বাদমতো নুন, ২-৩ টি শুকনো লঙ্কা, কিছুটা পাকা তেঁতুল, কয়েকটি কাঁচা লঙ্কা, সামান্য পরিমাণে চিনি। 

পদ্ধতি:- গোটা ইলিশ প্রথমে গাদা ও পেটি অনুযায়ী কেটে হলুদ-নুন মাখিয়ে রেখে দিন। এরপরে শুকনো লঙ্কা বেটে নিন। পাকা তেঁতুল জলে ভিজিয়ে ক্বাথটা বের করে রাখুন। একটি কড়াইতে তেল গরম করে মাছের টুকরোগুলো কড়া করে ভেজে নিন। এতে তেঁতুলগোলা, নুন, চিনি, হলুদ এবং কয়েকটি কাঁচালঙ্কা চিরে দিয়ে দেবেন। একটু জল দিয়ে ঢাকা দিন। ঘন ঝোল হয়ে এলেই বুঝবেন যে ইলিশ মাছের টেঙা পুরোপুরি তৈরি। এবার উনুন থেকে নামিয়ে পরিবেশন করুন। 

চাইনিজ ফ্রায়েড রাইস রেসিপি। How to Cook Chinese Fried Rice at Home Easily?

 উপকরণ:- ৩০০-৩৫০ গ্রাম সরু সেদ্ধ চাল, ৪ টি ডিম, ২০০-২৫০ গ্রাম চিঙড়ি মাছ, ১৫০ গ্রাম পেঁয়াজ গাছ, ১ কাপ কড়াইশুঁটির দানা, ২ টি গাজর, ১০০ গ্রাম বিন, ১ চামচ আজিনামোটো, ২ চামচ সয়া সস, ২-৩ টি লঙ্কা কুচানো, ১ টা পেঁয়াজ, ৭৫ মিলিলিটার বাদাম তেল, স্বাদমতো নুন। 

রান্নার প্রণালী:- বিন ও গাজর ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। কড়াইশুঁটির দানার সাথে সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ হলে জল ঝরিয়ে রেখে দিন। চিঙড়িগুলির খোসা ও মাথা বাদ দিয়ে ধুয়ে সেদ্ধ করে একটি পাত্রে রেখে দিন। পেঁয়াজ গাছ ও গোটা পেঁয়াজ কুচি কুচি করে কেটে রাখুন। এইবার চাল ভালো করে ধুয়ে বেশি জলে নুন মিশিয়ে প্রায় সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে একটি থালায় ছড়িয়ে রাখুন। এবার একটি ডেকচিতে ৪-৫ চামচ তেল গরম করে ডিম ফেটিয়ে ঢেলে খুন্তি দিয়ে নেড়ে নেড়ে গুঁড়ো করে ভেজে একটি বাটিতে তুলে রাখুন। ঐ ডেকচিতেই আবার ৪-৫ চামচ তেল গরম করে বিন, গাজর, কড়াইশুঁটি, চিঙড়ি মাছ ভাজা ভাজা ও সেদ্ধ করে তুলে নিন। তারপর এতেই পেঁয়াজ, পেঁয়াজ গাছ ও লঙ্কা কুচানো হালকা করে ভাজুন। ভাজা হলে ওগুলো নামিয়ে ডেকচিতে ভাত দিয়ে সাবধানে কিছুটা নেড়েচেড়ে ওর মধ্যে ডিম, সবজি ও মাছভাজা মিশিয়ে সয়া সস ও আজিনোমোটো ছড়িয়ে গরম থাকতেই পরিবেশন করুন। 

শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০

গলদা চিঙড়ির পোলাও। Galda Chingri or Lobster Pulao Recipe

 উপকরণ:- বড়ো গলদা চিঙড়ি ৫০০ গ্রাম, ৪০০ গ্রাম গোবিন্দভোগ চাল, ১ চা চামচ আদাবাটা, ৩-৪ টা কাঁচালঙ্কা, ১ চা চামচ গরমমশলা গুঁড়ো, স্বাদমতো নুন, মিহি করে কুচানো পেঁয়াজ ১ টা। 

প্রণালী:- চিঙড়ি মাছগুলোর মাথার ও পিঠের ময়লা ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নুন-হলুদ মাখিয়ে রাখুন। চাল ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। কড়াই বা ডেকচিতে তেল বা ঘি গরম করে মাছগুলো হালকা ভেজে নিয়ে একটি থালায় তুলে রাখুন। কম আঁচে সময় নিয়ে ভাজলে মাছের ভিতরটা ভালো সেদ্ধ হবে। এরপর মাছভাজার তেলে বা ঘিতে তেজপাতা, গরমমশলা ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজকুচি দিন। কম আঁচে ভাজবেন। এবার আদাবাটা দিন। তারপর আগে থেকে ধোয়া চাল দিয়ে দিন। কিছুটা নাড়াচাড়া করে চালের দ্বিগুণ পরিমাণ গরম জল ঢেলে দিন। আন্দাজমতো নুন, চিনি আর কাঁচালঙ্কা দিয়ে সেদ্ধ করুন। চাল সেদ্ধ হয়ে এলে ভাজা মাছগুলো ওর মধ্যে দিয়ে দিন। অল্পক্ষণ আঁচে রেখে নামিয়ে সুন্দর থালায় সাজিয়ে পরিবেশন করুন। 

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২০

যুঁই ও বেল ফুলের পোলাও রন্ধন প্রণালী। Jasmine and Bell Flowers Polao Recipe

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম বাসমতি চাল, ১৫০ গ্রাম চিনি, ১০০ গ্রাম ঘি, গরমমশলার প্রতিটি অংশ ৫ টি করে, ৫০ গ্রাম কিসমিস, ১০ টি কাগজি বাদাম, হাফ চামচ জাফরান বা কমলা রঙ, ৫-৬ চামচ দুধ, ১ কাপ যুঁই ও বেল ফুল। 

পদ্ধতি:- টাটকা ও ফুটন্ত ফুল ঠান্ডা জলে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ২ কাপ গরম জলে পুরোটা চিনি গুলে ছেঁকে নিন। বাদাম কুচিয়ে রাখুন। জাফরান বা কমলা রঙ দুধে গুলে নিন। চাল ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। এইবার বেশি পরিমাণে জল গরম করে ওতে চাল ফোটান। খেয়াল রাখবেন চাল আধসেদ্ধ হয়েছে কিনা। আধসেদ্ধ হলে ফ্যান ঝরিয়ে আবার ঠান্ডা জল ঢেলে আবার জল ঝরিয়ে রাখুন। আর একটি পাত্রে ঘি গরম করে তেজপাতা, গরমমশলা ছেড়ে নেড়ে নিয়ে তাতে ভাত দিন। ওর সাথে চিনি গোলা দিয়ে সাবধানে নেড়ে নরম আঁচে ফোটান। থকথকে মতো হলে তাতে কিসমিস, বাদাম কুচানো, জাফরান বা রঙগোলা দুধ দিয়ে নামান। ওতে যুঁই ও বেলফুল ছড়িয়ে পাত্রের মুখে ঢাকা দিয়ে ময়দা মাখা দিয়ে ছিদ্রগুলো বন্ধ করে ১০ মিনিট দমে বসালেই এই বিশেষ পোলাও পুরোপুরি তৈরি হয়ে যাবে। 

বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০

কড়াইশুঁটি ও মাংসের কিমা দিয়ে ঘি ভাত। Ghee Rice Recipe With Pea Seeds and Mutton or Chicken Keema

উপকরণ:- হাফ কিলো দেরাদুন চাল, ৫০০ গ্রাম মুরগি অথবা খাসির মাংসের কিমা, দেড় কাপ কড়াইশুঁটির দানা, ১৫০-১৭৫ গ্রাম ঘি। 

কিমার মশলা:- ১০০ গ্রাম টকদই, গরমমশলা, তেজপাতা, ১ টি বড়ো পেঁয়াজ বাটা, ৪-৫ কোয়া রসুন বাটা, হাফ চামচ আদা বাটা, হাফ চামচ জয়িত্রী বাটা, হাফ চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, হাফ চামচ চিনি ও স্বাদমতো নুন। 

ভাতের মশলা:- ১০০ গ্রাম পেঁয়াজ কুচানো ভাজা, ১ চামচ গরমমশলা গুঁড়ো, ৫০ গ্রাম কিসমিস, পরিমাণ মতো নুন। 

প্রণালী:- মাংস ছোট ছোট টুকরোতে কেটে নিন। দই ফেটিয়ে তার মধ্যে মাংসের মশলা মিশিয়ে দিন। এরপরে ডেকচিতে বা হাঁড়িতে ৫০ গ্রাম ঘি গরম করে ওতে কুচানো পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে তুলে রাখুন। পাত্রের বাকি ঘিতে তেজপাতা, গরমমশলা দিয়ে দই ও মাংসের মশলা মেশানো মাংস চটকে নিয়ে মাংস তুলে নিয়ে ১ কাপ জল দিয়ে সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে জল টেনে গেলে নামাবেন। একটি পাত্রে বেশি করে জল গরম করে কড়াইশুঁটি, নুন ও তেজপাতা দিয়ে ফোটান। এই সময় চাল ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রেডি রাখুন। ওদিকে জল ভালোভাবে ফুটলে ধোয়া চাল দিয়ে প্রায় সেদ্ধ করুন। ভাত প্রায় সেদ্ধ হয়ে এলে ফ্যান ঝরিয়ে রান্না করা মাংস, বাকি ঘি, পেঁয়াজ ভাজা, কিসমিস ও গরমমশলার গুঁড়ো ছড়িয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। ১০-১২ মিনিট দমে রাখলেই এই লোভনীয় ঘি ভাত প্রস্তুত। 


বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০

মটন বা চিকেন বিরিয়ানি সহজে ঘরেই বানিয়ে খান। Mutton or Chicken Biriyani Easy Recipe

 প্রধান উপকরণ:- ১ কেজি দেরাদুন চাল, ৮-১০ টুকরোতে কাটা দেড় কেজি খাসির মাংস। 

মাংসের জন্য:- ৪-৫ টা পেঁয়াজ বাটা, ৩ চামচ আদা বাটা, ১০ কোয়া রসুন বাটা, ৫ গ্রাম গরমমশলা, তেজপাতা, ১ চামচ গোলমরিচ বাটা, হাফ চামচ জয়িত্রী বাটা, ১ টা জায়ফল গুঁড়ো, ১ চামচ কাবাবচিনি, ২০০ গ্রাম টকদই, পরিমাণমতো নুন। 

আখনির জলের মশলা:- ১ ইঞ্চি আদা থেঁতো, ২ টি পেঁয়াজ বাটা, ৪-৫ কোয়া রসুন থেঁতো করা, হাফ চামচ জিরে, হাফ চামচ গোলমরিচ, হাফ চামচ ধনে গুঁড়ো, ১ টি জায়ফল থেঁতো করা, হাফ চামচ জয়িত্রী, ২-৩ টি শুকনো লঙ্কা। 

বিরিয়ানির মশলা:- ১ চামচ চিনি, ১ চামচ নুন, ১০ গ্রাম গরমমশলা, ১৫-২০ টি আলুবোখারা, ২০০ গ্রাম পেঁয়াজ কুচানো ভাজা, ৩৫০ গ্রাম ঘি, কমলা রঙ, ৪ ফোঁটা মিষ্টি আতর অথবা হাফ চামচ জাফরান। 

তৈরির পদ্ধতি:- আখনির সমস্ত মশলা ন্যাকড়ায় বেঁধে নিন। দই ফেটিয়ে তাতে মাংসের সব বাটা মশলা মিশিয়ে নিন। আতর, জাফরান বা রঙ ১ কাপ দুধে ভিজিয়ে রাখুন। ডেকচি বা হাঁড়ি আঁচে বসিয়ে তাতে অর্ধেকটা ঘি গরম করে বিরিয়ানির জন্য পেঁয়াজ কুচানো বাদামি করে ভেজে তুলে রাখুন। পাত্রের যা বাকি ঘি থাকবে তাতে মাংসের জন্য বাকি মশলা, তেজপাতা, গরমমশলা ও মাখা মাংস ছেড়ে সামান্য কষে নিয়ে হাফ চামচ নুন ও অল্প জল দিয়ে মাংস রান্না করে নিন। মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে ও এককাপ মতো ঝোল থাকতে নামিয়ে রাখুন। অপর একটি পাত্রে বেশী করে জল দিয়ে ওতে আখনির মশলা বাঁধা পুঁটলি রেখে ঢাকা দিয়ে ফোটান। ভালোভাবে সবটুকু ফুটলে পুঁটলি বের করে নিয়ে তাতে তেজপাতা, গরমমশলা, নুন ও চিনি দিয়ে ধোয়া জল ঝরানো চাল ছেড়ে দিন। ২-৪ মিনিট ফুটিয়ে চাল আধসেদ্ধ হয়ে এলে ফ্যান ঝরিয়ে নিন। এইবার এই আধসেদ্ধ ভাত মাংসের ডেকচিতে অর্থাৎ রান্না করা মাংসের উপর অল্প অল্প করে দিয়ে আর ২০০ গ্রাম ঘি অল্প করে ছড়িয়ে মেশান। মাঝে মাঝে পেঁয়াজ ভাজা, আলুবোখারা প্রত্যেক স্তরে ছড়িয়ে দেবেন। এইভাবে সব মেশানো হয়ে গেলে উপরে দুধের সঙ্গে মেশানো জাফরান, রঙ, আতর গোলা একদিকে ঢেলে দিয়ে উপরে সামান্য ঘি ছড়িয়ে জলের ছিটা দিয়ে পাত্রের মুখ ময়দা মাখা দিয়ে আটকে ১০-১৫ মিনিট দমে বসান। তারপর নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশন করুন। 

মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০

ঘি ভাত বা সাদা পোলাও বানানোর পদ্ধতি। How to Cook Plain Polao or Ghee Rice?

 উপকরণ:- দেরাদুন সেদ্ধ বা আতপ চাল ১ কিলোগ্রাম, ঘি ২৫০ গ্রাম, কিসমিস ১০০ গ্রাম, গোটা গরমমশলা ১০ গ্রাম, ৫-৬ টা তেজপাতা, ২০-২৫ খানা কাগজি বাদাম কুচানো, ৫০ গ্রাম চিনি, ১৫-১৬ টা আলুবোখারা, একটি জায়ফল, হাফ চামচ জয়িত্রী, ১ চামচ সাদা জিরা, হাফ চামচ সাদা মরিচ, সবকয়টি গোটা মশলা শুকনো খোলায় গরম করে গুঁড়ো করবেন, নুন ১ চামচ। 

প্রণালী:- ডেকচি বা হাঁড়ি উনুনের আঁচে বসিয়ে অর্ধেক ঘি গরম করে তাতে তেজপাতা, গরমমশলা ছেড়ে নেড়ে নিয়ে ওতে ধোয়া ও জল ঝরানো চাল দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। এবার তাতে চিনি আর নুন মেশান। তারপর ওতে দেড় লিটার আন্দাজ গরম জল দিয়ে পাত্রের মুখ ঢাকা দিয়ে ফোটান। জল টেনে থকথকে মতো হলে আঁচ কমিয়ে ঢাকা খুলে দিয়ে একবার খুন্তি দিয়ে নেড়ে দেখে নিন মাড় আছে কিনা। মাড় থাকলে আর একটু ফোটান। আর যদি মাড় না থাকে তাহলে ওতে অবশিষ্ট ঘি, কিসমিস, বাদাম ও সব গুঁড়ো মশলা মিশিয়ে দিয়ে দমে বসানোর নিয়ম অনুযায়ী ২০-২৫ মিনিট দমে রেখে ঝাঁকিয়ে নিয়ে পরিবেশন করুন। 

সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২০

কমলা পোলাও রেসিপি। Orange or Kamala Polao Recipe

 উপকরণ:- হাফ কিলো বাসমতি চাল, ৫ টি কমলালেবু, ১৫০ গ্রাম চিনি, গরমমশলার প্রতিটি উপাদান ৫ টি করে, ৫০ গ্রাম কিসমিস, ১০-১২ টা কাগজি বাদাম, ১০০ গ্রাম ঘি, জাফরান বা কমলা রঙ হাফ চামচ, ৪-৫ চামচ দুধ। 

প্রণালী:- তিনটি কমলালেবুর খোসা ছাড়িয়ে কোয়াগুলো টুকরো করে রাখুন। দুটি কমলালেবুর রস করে রাখুন। ১ কাপ গরম জলে চিনি গুলে ছেঁকে নিন। কাগজি বাদাম কুচিয়ে রাখুন। জাফরান বা কমলারঙ দুধে গুলে নিন। এবার চাল ভালো করে ধুয়ে একটি পাত্রে পরিমাণ মতো জলে ঐ চাল ফোটান। চাল আধসেদ্ধ হলে নামিয়ে ফ্যান ঝরিয়ে চালে ঠান্ডা জল দিয়ে আবার ভালো করে জল ঝরিয়ে নিন। একটি বড়ো ডেকচিতে ঘি গরম করে তাতে গরমমশলা, তেজপাতা, আধসেদ্ধ ভাত, চিনির জল, কমলালেবুর রস পরপর ধীরে ধীরে মিশিয়ে দিন। এবার নরম আঁচে বসিয়ে ফোটান। থকথকে হয়ে এলে ওতে বাদাম কুচানো, কিসমিস, বাকি কমলালেবুর কোয়া, জাফরান বা কমলারঙ গোলা দুধ ছড়িয়ে দিয়ে নামিয়ে নিন। তারপর পাত্রের মুখে ঢাকা দিয়ে ময়দা লাগিয়ে বন্ধ করে দমে বসিয়ে দিন। দম দেওয়া হয়ে গেলেই আপনার মনপসন্দ কমলা পোলাও রেডি। 

রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

জর্দা পোলাও ঘরেই বানিয়ে নিন। Jarda Polao Recipe

 উপকরণ:- হাফ কিলো বাসমতি চাল, ৫০ গ্রাম কিসমিস, ২টি পাতিলেবু, ১ কাপ চিনি, ১৫-১৬ টি কাগজি বাদাম কুচানো, ৫ গ্রাম গরমমশলা, ৩-৪ টি তেজপাতা, ২০ গ্রাম গোটা হলুদ, হাফ চামচ জাফরান, ১০০ গ্রাম ঘি, ২-৩ চামচ গোলাপ জল। 

পদ্ধতি:- জাফরান গুঁড়ো করে গোলাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন। ঐ জলে চিনি গুলে কাপড়ে ছেঁকে নিন। হলুদগুলো থেঁতো করে একটি ন্যাকড়ায় বেঁধে ৬-৭ কাপ জল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ফোটানো জলের রঙ হলদেটে হয়ে গেলে পুঁটলিটি তুলে নিন। এবার চাল ভালোভাবে ধুয়ে ঐ হলুদ জলে ফোটান। একটুখানি ফুটে চালের রঙ হলুদ হয়ে এলেই দেখে নিন চাল আধসেদ্ধ হয়েছে কিনা। আধসেদ্ধ হলে নামিয়ে নিয়ে ফ্যান ঝরিয়ে নিন। তারপর ঐ গরম ভাতে পাতিলেবুর রস মেশান। তারপর ৮-১০ কাপ ঠান্ডা জল ওতে দিয়ে ভালোভাবে জল ঝরিয়ে নিন। এবার আর একটি ডেকচিতে ঘি গরম করে সব মশলা আর তেজপাতা দিয়ে তাতে ভাত ও চিনির জল দিয়ে পাত্রের মুখ ঢেকে ঢিমা আঁচে ফোটান। ফুটে থকথকে মতো হলে তার মধ্যে জাফরান গোলা, গোলাপ জল, বাদাম কুচি, কিসমিস দিয়ে মিশিয়ে নিন। জল প্রায় টেনে এলে উনুন থেকে নামিয়ে নিন। পাত্রটির মুখ ঢেকে ময়দা মাখা লাগিয়ে বন্ধ করে ১০-১২ মিনিট দমে বসিয়ে রাখুন। তাহলেই সুস্বাদু জর্দা পোলাও তৈরি। 

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

পোলাও, খিচুড়ি ও বিরিয়ানি রান্নার কিছু প্রয়োজনীয় সাধারণ তথ্য। Some Common Factors of Pulao, Hotchpotch and Biriyani Cooking Process

 অতি প্রয়োজনীয় কয়েকটি সাধারণ নিয়মাবলী:-

(১) চাল ( Rice):- খিচুড়ি, পোলাও ও বিরিয়ানীর প্রধান উপাদান হ'ল চাল। এগুলি তৈরিতে আতপ ও সেদ্ধ দুইরকম চালই ব্যবহার করতে পারেন। তবে তা যেন পুরানো, সরু হয় ও ভাঙা না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণতঃ, এসবের জন্য দেরাদুন আতপ ও সেদ্ধকেই সেরা বলা হয়। ভাঙা চাল ব্যবহার করলে দলা পাকিয়ে যাবে, ঝরঝরে হবে না। কমপক্ষে আধঘন্টা চাল ভিজিয়ে রাখার পরে রান্না করবেন। এতে ভাতগুলি লম্বা লম্বা হবে। প্রথমে চাল ভালোভাবে ঝেড়ে হাতে বেছে নিতে হবে। তারপর আবার চাল ধুয়ে আঁচে বসিয়ে আধসেদ্ধ করে ফ্যানটা ঝরিয়ে পোলাও, বিরিয়ানি, ফ্রায়েড রাইস বা খিচুড়ি রান্না করবেন। আবার আপনার ইচ্ছে হলে চাল ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে জল ঝরিয়ে সঙ্গে সঙ্গে চড়াতে পারেন। অথবা, ধোয়া চাল মুছে নিয়ে একটি পাত্রে রেখে সামান্য ঘি, নুন, চিনি, জাফরান, রঙ প্রভৃতি মিশিয়ে নিতে পারেন। তবে চেখে দেখে নেবেন নুন-মিষ্টি সমান আছে কিনা! তারপর পরিমাণ মতো আখনি জল মিশিয়ে উনুনের আঁচে বসিয়ে জল মেরে নিয়েও তৈরি করতে পারেন। পোলাও, বিরিয়ানি, খিচুড়ি বা ফ্রায়েড রাইসের সব মশলাগুলি মিহি করে বেটে সামান্য ঘি এবং বাটা মশলা চালে ভালোভাবে মাখিয়েও তাতে পরিমাণ মতো জল দিয়ে রান্না করতে পারেন। এই নিয়মগুলির মধ্যে আপনার সুবিধার নিয়মটি বেছে নেবেন। 

(২) আখনির জল:- এবার আসি আখনির প্রসঙ্গে। পরিমাণ মতো জলে মশলা দিয়ে সেদ্ধ করে এটি তৈরি করা হয়। ঠিকমতো তৈরি করতে না পারলে পোলাও বা বিরিয়ানি খুব সুস্বাদু হয় না। গোলমরিচ, গোটা লঙ্কা, গোটা জিরে, সাদা জিরে, সাদা মরিচ, গরমমশলা, ছোলার ডাল, বাটা আদা, তেজপাতা, কাবাবচিনি, জায়ফল, ধনে, রসুন, পেঁয়াজ, জয়িত্রী ইত্যাদি এক টুকরো পাতলা বা আদ্দির কাপড়ে আলগা করে বেঁধে বিরিয়ানি বা পোলাওতে যতটা পরিমাণ জল লাগবে তার আড়াইগুণ জল ( উদাহরণস্বরূপ - দুই লিটার জল লাগলে পাঁচ লিটার জল দিতে হবে। ) একটি পাত্রে দিয়ে তাতে মশলা বাঁধা পুঁটলি জলে ডুবিয়ে ঢাকা দিয়ে ফোটাবেন। ফুটতে ফুটতে জল যখন অর্ধেক হয়ে লালচে রঙের হবে তখন জল নামিয়ে কিছুক্ষণ পরে জল থেকে মশলার পুঁটলি তুলে চেপে জলটা বের করে তুলে নেবেন। এইভাবেই আখনির জল তৈরি করতে হয়। আবার মাংস-গোস্ত আখনি তৈরি করতে হলে মশলার পুঁটলিতে মাংসের টুকরো দিয়ে উপরের পদ্ধতি অনুসারে ফুটিয়ে চেপে জল বের করে নিতে হবে। এই আখনি মাংসের পোলাও বা বিরিয়ানিতে দিলে খুব সুস্বাদু হয়। যেরকম ইচ্ছা হয় করে নিন। 

(৩) দমে বসানোর প্রক্রিয়া:- পোলাও বা বিরিয়ানি তৈরি করতে হলে দমে বসাতে হয়। এই কারণে পোলাও বা বিরিয়ানি বেশি সেদ্ধ করা চলবে না। প্রায় সেদ্ধ হয়ে যখন অল্প অল্প জল থাকে তখন আঁচ থেকে নামিয়ে দুইপাশে দুটি ইটের উপর পাত্রটি বসিয়ে মুখ বন্ধ করে চারদিকে মাখা ময়দা দিয়ে ভালোভাবে আটকে পাত্রটির ঢাকার উপর জ্বলন্ত কাঠকয়লা এবং ইটের ফাঁকে জ্বলন্ত কাঠকয়লা দিয়ে ২৫-৩০ মিনিট রাখলেই সুসিদ্ধ হবে আর ঝরঝরেও হবে। ডেকচি বা হাঁড়ির ঢাকনাতে কাঠকয়লা দেবার আগে সামান্য মাটির প্রলেপ লাগিয়ে দিলে ঢাকনিতে দাগ হবে না। যদি ওভেনের ব্যবস্থা থাকে তাহলে ওভেনে পাত্র বসিয়ে দমে বসানো যায়। তবে, অবশ্যই মনে রাখবেন যে দমে বসানোর সময় কাঠকয়লার আঁচ যেন বেশি না হয়। বেশি হলে রান্না পুড়ে যায়। মোটা ডেকচি বা হাঁড়িতে রান্না করবেন। 

(৪) রঙ:- একটু খোঁজখবর নিয়ে খুব নামকরা ভালো কোম্পানির রঙ ব্যবহার করবেন। যে কোন বড়ো স্টেশনারি দোকানে গিয়ে ওনাদের বললে না থাকলে ওনারা আনিয়ে দেবেন। যদি জাফরান ব্যবহার করতে চান তাহলে হাফ কাপ গরম দুধে জাফরান ভিজিয়ে কিছুক্ষণ ঢাকা রেখে তারপর ব্যবহার করবেন। পোলাও বা বিরিয়ানি তৈরি হয়ে যাবার পর ঘাঁটাঘাঁটি করা চলবে না। দমে বসানো হয়ে যাবার পর হাঁড়ি বা ডেকচি কাপড় দিয়ে ধরে ঝাঁকিয়ে নেবেন। যদি মাংসের পোলাও বা বিরিয়ানি হয় তাহলে ঝাঁকানোর পরিবর্তে চ্যাপ্টা হাতা দিয়ে উপরের ভাত সরিয়ে তলার মাংসের টুকরো বের করে তারপর পরিবেশন করবেন। 

(৫) জল ও ঘি:- পোলাও বা বিরিয়ানি ভালোভাবে রান্না করতে হলে ১ কিলোগ্রাম চালে ৩০০ গ্রাম খাঁটি ঘি লাগবে। আখনি বা জল যেন কমবেশি না হয়। কি ধরনের চাল তা দেখে নিয়ে জল বা আখনির পরিমাণ ঠিক করে নেবেন। আতপ চালের থেকে সেদ্ধ চালে সামান্য বেশি জল বা আখনি লাগে। মোটামুটি ১ কিলো সেদ্ধ চালে দেড় লিটার জল বা আখনি লাগে। আতপ চাল হলে কিছুটা কম লাগে। জলের পরিমাণ বেশি হলে কাদা মতো হয়ে যাবে। যাতে বেশি ঝরঝরে হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আখনির জল কখনও ঠান্ডা ব্যবহার করবেন না। রান্না ভালো করতে গেলে গরম জল ব্যবহার করতে হবে। আঁচে বসিয়ে জল প্রায় শুকিয়ে পোলাও বা বিরিয়ানি রান্না করতে হয়। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে আখনির পুঁটলি ও চাল একসাথে আধসেদ্ধ করে পুঁটলি তুলে জল ঝরিয়ে ডেকচি বা হাঁড়িতে আধসেদ্ধ চাল অন্যান্য উপকরণের সাথে মিলিয়ে ওতে দুধ বা জল অথবা ঘি ছিটিয়ে ১০ - ১৫ মিনিট দমে বসিয়ে রাখবেন। এতে নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না। যদি মাংসের পোলাও বা বিরিয়ানি রান্না করেন তাহলে মাংসের টুকরোগুলো বেশ বড়ো সাইজের করে কেটে নেবেন। ১ কিলো চালে মাংসের টুকরো হবে ৮ টা। প্রথমে মাংস রান্না করে ডেকচিতে বা হাঁড়িতে রেখে তার উপর আধসেদ্ধ ভাত দিয়ে মশলা, ঘি ছড়িয়ে দিয়ে দমে বসাবেন। দমে বসাবার সময় সুগন্ধি দ্রব্য, গুঁড়ো মশলা, কিসমিস, বাদাম ইত্যাদি দুধে ভিজিয়ে ওতে ছড়িয়ে দিলে সুগন্ধি পোলাও বা বিরিয়ানি তৈরি হবে। 

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মুরগা পোলাও বা মুরগির পোলাও রান্না। Chicken Pulao Cooking Recipe

 উপকরণ:- ১ কে. জি. দেরাদুন চাল, ২ টি বড়ো আকারের মুরগী ও নানাবিধ মশলা। 

সবকিছুর আগে আলাদা আলাদা মশলা গুলি রেডি করে নিন। 

মাংসের মশলা:- ৮ কোয়া রসুন বাটা, ৩ টি পেঁয়াজ বাটা, ২ চামচ আদা বাটা, কয়েকটি তেজপাতা, গরমমশলা গুঁড়ো ও গোলমরিচ গুঁড়ো ১ চামচ করে, ১ টা জায়ফল গুঁড়ো, হাফ চামচ জয়িত্রী বাটা, হাফ চামচ কাবাবচিনি, ১০০ গ্রাম টকদই, আন্দাজমতো নুন। 

আখনির জলের মশলা:- ১ ইঞ্চি আদা থেঁতো করা, ২ খানি পেঁয়াজ বাটা, ৪ কোয়া রসুন থেঁতো করা, হাফ চামচ জিরে, হাফ চামচ গোলমরিচ, হাফ চামচ ধনে, ১ টা জায়ফল থেঁতো করা, হাফ চামচ জয়িত্রী, ২ টি শুকনো লঙ্কা। 

পোলাওয়ের মশলা:- ৮-১০ গ্রাম গরম মশলা, ১ চামচ নুন, ১ চামচ চিনি, ৫-৬ খানা তেজপাতা, ১৫০ গ্রাম পেঁয়াজ কুচি ভাজা, ভালো মানের ঘি ৩০০ গ্রাম, ১৫ থেকে ১৬ টা কাগজি বাদাম কুচানো, ১৫ টা শুকনো আলুবোখারা, হাফ চামচ জাফরান অথবা ৪ ফোঁটা মিষ্টি আতর, কমলা রঙ। 

সাবেকি পদ্ধতিতে তৈরি করুন:-

দুটো মুরগি মোট ১৬ টুকরোতে কেটে নিন। এবার আগে দেওয়া নিয়ম অনুসারে আখনির জল তৈরি করুন। টকদইয়ের সাথে মাংসের বাটা ও গুঁড়ো মশলা দিয়ে ফেটিয়ে মুরগির টুকরোগুলোতে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। একটি কড়াই বা প্যানে ১০০ গ্রাম পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ঘিয়ে ভেজে দমে বসানোর জন্য আলাদা করে তুলে রাখুন। কড়াইয়ের বাকি গরম ঘিয়ে মাংসের মশলার তেজপাতা, গরমমশলা ও টকদই মাখানো মাংস দিয়ে অল্প কষে ওর মধ্যে হাফ চামচ নুন ও খানিকটা জল দিয়ে মুরগির মাংস অর্ধেক সেদ্ধ করে প্যান বা কড়াইটি উনুনের আঁচ থেকে নামিয়ে ফেলুন। মাংসে গা-মাখা ঝোল থাকবে। 

এবার দেরাদুন চাল ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। জাফরান অথবা মিষ্টি আতর এবং কমলা রঙ ১ কাপ দুধে মিশিয়ে রাখুন। 

এখন একটি ডেকচি বা হাঁড়িতে ১০০ গ্রাম ঘি দিয়ে গরম হলে ওতে পোলাওয়ের চাল, গরমমশলা, তেজপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে নিয়ে আখনির জল ঢালুন। আন্দাজ পরিমাণ মতো চিনি ও নুন দিয়ে ফোটান। চালের ফ্যান মরে থকথকে হয়ে গেলে ওর মধ্যে বাদাম কুচানো দিয়ে নামাবেন। এবার তুলে রাখা আধ সেদ্ধ করা মাংস, পেঁয়াজ ভাজা ভাতের সাথে মিশিয়ে দিন। বাকি ১০০ গ্রাম ঘি আর দুধ, জাফরান রঙের মিশ্রণ উপরে ছড়িয়ে দিন। হাঁড়ির মুখে ঢাকনা দিয়ে ময়দা মাখার সাহায্যে সমস্ত ফাঁক বন্ধ করে ২০-২৫ মিনিট দমে বসিয়ে দিন। পরিবেশনের সময় ২ টি আলুবোখারা প্রত্যেকটি ডিশে দিয়ে সাবধানে মাংস বের করে একখন্ড করে দিয়ে পরিবেশন করুন। 

মুরগা পোলাও তৈরির সহজ পদ্ধতি:- যারা সহজভাবে রান্না করতে চান এটা তাদের জন্য। তারা প্রথমেই মাংস রান্না করে মাংস পুরোপুরি সেদ্ধ করে নেবেন। বেশি জলে তেজপাতা ও গরমমশলা দিয়ে, আখনির মশলা একটি কাপড়ে বেঁধে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন। এরপর চাল, বাদাম দিয়ে ২-৪ মিনিট ফুটিয়ে দেখে নিন ভাত আধসেদ্ধ হয়ে ফ্যান আছে কিনা। যদি ভাত আধসেদ্ধ হয়ে ফ্যান না থাকে তাহলে পাত্রটি আঁচ থেকে নামিয়ে আখনির পুঁটলি তুলে যতটুকু ফ্যান থাকবে তা ঝরিয়ে নিন। এবার হাতার সাহায্যে ভাত তুলে রান্না মাংসের ডেকচিতে দিয়ে তার উপর ২০০ গ্রাম ঘি অল্প অল্প করে মেশাতে থাকুন। মাঝে মাঝে ভাজা পেঁয়াজ, আলুবোখারা ও দুধ-রঙ-জাফরানের মিশ্রণ ছড়িয়ে, সামান্য জল ছিটিয়ে ১০ মিনিট ঢিমা আঁচে বসান। পুরোপুরি খাবার জন্য তৈরি হয়ে যাবে। 

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বুরহানি সরবত কিভাবে তৈরি করবেন? Burhani Drink Recipe

 বুরানী বা বুরহানি তৈরির উপকরণ:- ২৫০ গ্রাম টকদই, ১ চামচ বিটনুন গুঁড়ো, দেড় চামচ পুদিনাপাতা বাটা, ১ চামচ ধনেপাতা বাটা, হাফ চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, হাফ চামচ জিরে ভাজা, ১ চামচ ধনেপাতা, জল, কাপ ও বড়ো গ্লাস। 

পদ্ধতি:- গোলমরিচ, ধনে, জিরে একসাথে গুঁড়ো করে নিন। এবার টকদই ভালো করে ফেটিয়ে সব মশলা মিশিয়ে ৬-৭ কাপ জল মেশান। হাফ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে নিন। তারপর গ্লাসে করে সরবরাহ করুন। পোলাও, বিরিয়ানি বা যেকোন গুরুপাক খাদ্য খাবার পর এই সরবত খেলে সব হজম হয়ে যায়। 

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ফুলকপির চিংড়িকোর্মা রন্ধনপ্রণালী। Cauliflower Prawn Korma Recipe

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম ফুলকপি, হাফ কে. জি. চিংড়ি মাছ। ৪ টি আলু, ২ টি বড়ো পেঁয়াজ কুচানো, ২ টেবিল চামচ সর্ষে, ৮ - ১০ টা কাঁচালঙ্কা, স্বাদমতো নুন, দেড় চা চামচ চিনি, হাফ চা চামচ হলুদ, ১০ - ১৫ টি কিশমিশ, আধখানা নারকেল, দেড় কাপ সরষের তেল। 

প্রণালী:- সর্বপ্রথম খোসা ছাড়িয়ে চিংড়িগুলো জলে ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার ফুলকপির ডাঁটিগুলো ফেলে দিয়ে ফুলগুলো টুকরো করে কেটে রাখুন। আলু খোসা ছাড়িয়ে ডুমো ডুমো করে কেটে নিন। নারকেল কুরিয়ে নিন। কিশমিশ ধুয়ে রাখুন। সর্ষে ও পাঁচটি কাঁচা লঙ্কা বেটে রেখে দিন। এখন একটি কড়াইতে তেল গরম করে মাছ ভেজে তুলে নিন। ঐ তেলেই পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে আলাদা করে রাখুন। ফুলকপি ও আলুতে হলুদ মেখে বাকি তেলে ভেজে নিন। ভাজা হলে নারকেল কোরানো দিয়ে সামান্য নাড়াচাড়া করে সর্ষে বাটা দিন। সর্ষে বাটার সাথে অল্প জলও দেবেন। জল ফুটে উঠলে ভাজা চিংড়ি, হলুদ, নুন, মিষ্টি ও কিশমিশ দিন। বাকি কাঁচালঙ্কা সামান্য চিরে দিন। মাখা মাখা জল থাকতেই উপরে ভাজা পেঁয়াজ ছড়িয়ে দিয়ে নামিয়ে নিন। 

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

শাক ও মাংসের তরকারি রান্নার পদ্ধতি । Chicken or Mutton Vegetable Curry Recipe

 উপকরণ:- ২০০ গ্রাম মাংসের কিমা, ১০০ গ্রাম পালংশাক, ২০ গ্রাম আদা ও রসুন বাটা, ২ গ্রাম জিরে গুঁড়ো, ২ গ্রাম ধনে গুঁড়ো, ৫ গ্রাম হলুদ গুঁড়ো, ৫ গ্রাম লঙ্কা গুঁড়ো, ৫০ মিলিলিটার সাদা তেল, ২ টি ছোট পেঁয়াজ কুচানো, স্বাদমতো নুন। 

প্রণালী:- কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি প্রথমে ভেজে নিন। বাদামি রঙের হলে সব মশলার গুঁড়ো ও মাংস দিয়ে ভালো করে কষুন। কষানোর পরে সামান্য গরম জল ও নুন দিয়ে দিন। মাংস নরম হয়ে এলে শাক দিন। ২০-২৫ মিনিট ধরে রান্না করুন। শুকনো মতো হয়ে এলে নামান। 

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চিংড়ি দিয়ে কচুর তরকারি। Kachu Chingri Recipe

 উপকরণ:- হাফ কে. জি. মানকচু, ২৫০ গ্রাম কুচো চিংড়ি, ১ আঁটি ধনেপাতা, ১ চা চামচ কালোজিরা, ৪ খানা তেজপাতা, ১ চা চামচ আদাবাটা, ১ চা চামচ ধনেবাটা, ১ চা চামচ জিরেবাটা, ৪ টি কাঁচালঙ্কা, সামান্য চিনি, ১০ মিলিলিটার সরষের তেল, স্বাদমতো নুন। 

তৈরির প্রণালী:- কচুর খোসা মোটা করে ছাড়িয়ে ডুমো ডুমো করে কেটে নিয়ে সামান্য নুন জলে সেদ্ধ করুন। জল ঝরিয়ে ভালো করে চটকে নিন। চিংড়িগুলোর খোসা ছাড়িয়ে নুন-হলুদ মাখিয়ে একটি কড়াইতে তেল গরম করে ভেজে আলাদা করে তুলে রাখুন। ঐ কড়াইতেই এবার কালোজিরা ও তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে চটকানো কচু, সব বাটা মশলা, লঙ্কা দিয়ে কষুন। কষা হলে ভাজা চিংড়ি দিয়ে সামান্য জল দিন। এরসাথে নুন ও চিনি দেবেন। কিছুক্ষণ ফোটার পর মাখামাখা ঝোল থাকতে উনুন থেকে নামিয়ে নিন। ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। 

পুরভরা আলু তৈরির রেসিপি। Purbhara Alur Recipe

 উপকরণ ও পদ্ধতি:- এখানে বিভিন্ন ধরনের আলুর পুরের পদ্ধতি দেওয়া হ'ল। 

প্রথমে আলুর গায়ে কাঁটা দিয়ে ফুটো করে নিন। ডিনার প্লেট বা বড়ো থালায় সাজিয়ে নিন। কিছুক্ষণ বেক করুন। একটি পরিষ্কার তোয়ালেতে মুড়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এবার যেকোন ধরনের পুর তৈরি করুন। যেমনঃ-

(১) কটেজ চিজ ও চিংড়ি দিয়ে পুর:- ২২৫ গ্রাম কটেজ চিজ, ১ টেবিল চামচ কুচানো পেঁয়াজকলি, ১০০ গ্রাম ছাড়ানো সেদ্ধ করা ছোট চিংড়ি, ১ টেবিল চামচ টক ক্রিম বা ফেটানো টকদই, ১ চা চামচ টমেটো পিউরি, সাজানোর জন্য কয়েক টুকরো শসা ও সেদ্ধ করা গোটা চিংড়ি মাছ। শসা ও গোটা চিংড়ি ছাড়া সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে নিন। একটি পরিষ্কার কাপড়ের ও আঙুলের সাহায্যে আলুর মাঝখান থেকে কিছুটা বের করে নিন। যাতে পুর ভরা যায়। এবার প্রতিটি আলুর মাঝের ফাঁকা জায়গাটাতে মেশানো উপকরণগুলি ভরে নিন। আলুর উপরে শসা ও গোটা চিংড়ি সাজিয়ে সার্ভ করুন। 

(২) বেকড্ বিনস ও চিজ দিয়ে পুর:- টমেটো সসে ফেলে রাখা ৪২৫ গ্রাম বেকড্ বিনস, চৌকো করে কাটা ২২৫ গ্রাম চিজ, স্বাদমতো নুন ও মরিচ। 

একটি বড়ো আকারের পাত্রে বেকড্ বিনস ঢালুন। চিজ, মরিচ ও নুন দিয়ে দিন। ওভেনে ১০ মিনিটের মতো রান্না করুন। এবার বের করে রাখুন। আলু মাঝখান দিয়ে কেটে ভিতরটা একটু কুরে নিয়ে বিনের পুর ভরুন ও পরিবেশন করুন। 


গাজর চিঙড়ির তরকারি তৈরি করতে শিখুন। Carrot Prawn Curry Recipe

বানাতে কি কি জিনিস লাগে? 

- ২৫০ গ্রাম চিংড়ি মাছ, বড়ো গাজর ৪ টা, ২ টা বড়ো আকারের আলু, ১০০ গ্রাম বড়ো আকারের টমেটো কুচানো, ৩ খানা পেঁয়াজ কুচানো, আন্দাজমতো সরষের তেল, ১ ইঞ্চি আদাবাটা, ৮ কোয়া রসুন বাটা, ১ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ ঘি, ৪ টি কাঁচা লঙ্কা, সামান্য গরম মশলা গুঁড়ো, নুন স্বাদমতো, হলুদ সামান্য। 

কিভাবে রান্না করবেন? 

- প্রথমে গাজর কুরিয়ে নিন। এর সাথে সাথে চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে নুন-হলুদ মাখিয়ে রাখুন, আলুগুলো ডুমো করে কাটুন। এবার কড়াইতে তেল গরম করে আলুর টুকরোগুলি লাল করে ভেজে একটি থালায় তুলে রাখুন। এরপর চিংড়ি ভেজে নিন ও ঐ থালার আর এক পাশে রাখুন। তারপর পেঁয়াজকুচি ঐ গরম তেলে লালচে করে ভেজে তার মধ্যে আদাবাটা, টমেটো দিয়ে কষুন। এইবার লঙ্কাবাটা, চিংড়ি, গাজর কোরানো ও ভাজা আলু দিয়ে ঢাকা দিন। ভাপে সেদ্ধ হয়ে যাবে। আলু, গাজর ঠিকঠাকভাবে সেদ্ধ হয়ে এলে সামান্য নুন, চিনি, ঘি, গরম মশলা দিন। সবটুকু সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত অল্প অল্প জলের ছিটা দেবেন। ঝরঝরে হলে আঁচ থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করে দিন। 

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কিমা সবজি তরকারি সহজে বানান। Keema Sabji Curry Recipe

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম এঁচোড়, বড়ো পেঁয়াজ ২ টা, ৪ টা আলু, [ তেল, তেজপাতা, জিরে, শুকনো লঙ্কা, কাঁচালঙ্কা, আদা, নুন, চিনি ও রসুন আন্দাজমতো পরিমাণে ], ১৫০ গ্রাম মাটন কিমা, ১০০ গ্রাম টকদই। 

প্রণালী:- প্রথমে এঁচোড় ভাপিয়ে জল ঝরিয়ে নিন। মাটন কিমা প্রেসারকুকারে সেদ্ধ করুন। এবার কড়াই উনুনের আঁচে চাপিয়ে তেল দিয়ে গরম করে নিন। এই গরম তেলে আলুর টুকরোগুলি ভেজে একটি থালায় তুলে রাখুন। এখন ঐ তেলে তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা ও জিরে ফোড়ন দিয়ে মাংসের কিমা ও কাঠালের এঁচোড় ছেড়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। এরপরে এতে জিরে, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা, টকদই, চিনি ও নুন দিয়ে ভাজা ভাজা করে কষুন। ভালোভাবে কষানো হলে আন্দাজমতো জল দিয়ে সেদ্ধ করুন। পুরো সেদ্ধ হয়ে গেলে গরম মশলা ছড়িয়ে উনুন থেকে নামিয়ে নিন। 

কাঁচামুগের ঠান্ডা ডাল তৈরির পদ্ধতি। Thanda Mug Daler Recipe

 উপকরণ:- ১২৫ গ্রাম কাঁচামুগ ডাল, গোল গোল করে কাটা ১ টা ঝিঙে, বড়ো বড়ো চৌকো করে কাটা ১ ফালি লাউ, স্লাইস করে কাটা ২-৩ টা উচ্ছে, ১ মুঠো থোর কাটা, ২ টা সজনে ডাঁটা, ৩ টেবিল চামচ নারকেল কোরানো, আন্দাজমতো নুন, ১ টেবিল চামচ আদাবাটা, ২ টেবিল চামচ চিনি, আন্দাজমতো গাওয়া ঘি, অল্প পরিমাণে সরষে। 

পদ্ধতি:- প্রথমে একটি কড়াইতে নুন দিয়ে পরিমাণমতো জলে ডাল সেদ্ধ করুন। ফুটে উঠলে সবজিগুলো দিন। ডাল ও সবজি সেদ্ধ হয়ে গেলে নারকেল কোরানো, আদাবাটা ও চিনি দিন। অন্য একটি পাত্রে ঘি গরম করে সরষে ফোড়ন দিন। ফোড়ন দেওয়া এই ঘি নামাবার আগে ডালে ঢালুন। ঠান্ডা হয়ে গেলে ডাল বেশ ঘন হবে। তখন পরিবেশন করুন। 


বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ছোলার ডাল কিভাবে রান্না করবেন? Cholar Dal Recipe

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম ছোলার ডাল, ৫০ গ্রাম আদাবাটা, ২ টেবিল চামচ হলুদগুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ লঙ্কার গুঁড়ো, ১ টেবিল চামচ জিরে গুঁড়ো, অর্ধেক নারকেল কোরানো, মাঝারি সাইজের ২ টা টমেটো টুকরো করে কাটা, ৫০ গ্রাম কিশমিশ, নুন ও চিনি আন্দাজ মতো, কয়েকটি তেজপাতা, ভাজার জন্য সাদা তেল আন্দাজ মতো। 

প্রণালি:- ডাল ভালো করে ধুয়ে পরিমাণ মতন জল দিয়ে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে নিন। লক্ষ্য রাখবেন যেন গলে না যায়। একটি কড়াইতে তেল গরম করুন। এই গরম তেলে তেজপাতা, টমেটো ও অন্য সব মশলা দিয়ে কষে নিয়ে সেদ্ধ ডাল ছেড়ে দিন। এইবার নুন, চিনি ও কিশমিশ দিয়ে কিছুক্ষণ ফোটান। এই ফোটানোর সময় অনবরত নাড়তে থাকবেন। নাহলে, কড়াইয়ের তলা ধরে যেতে পারে। বেশ থকথকে হয়ে এলে উনুন থেকে নামিয়ে নারকেলকোরা ছড়িয়ে পরিবেশন করতে পারেন। 

মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

অড়হড় ডাল সহজেই বানান। Arahar Dal Recipe

 উপকরণ:- ১০০ গ্রাম অড়হড় ডাল, হাফ কাপ ভাইটাল গ্রানিউল, ২ টা শুকনো লঙ্কা, ২ টি কাঁচালঙ্কা, ২ খানা টমেটো, জিরে হলুদের গুঁড়ো কিছুটা করে, খুব অল্প হিং, আন্দাজ মতো নুন - চিনি - ভাইটাল তেল, ১ চামচ ঘি। 

প্রণালি:- প্রথমে ডাল সেদ্ধ করে নিন। অন্য একটি পাত্রে গরম জল দিয়ে গ্র্যানিউলগুলো ভিজিয়ে রাখুন। কড়াইতে সামান্য তেল গরম করে হিং, জিরে ও শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। এরপরে এতে আগে থেকে সেদ্ধ করা ডাল ঢেলে দিন। গ্র্যানিউলগুলো জল থেকে তুলে নিয়ে চেপে জল বের করে ডালের মধ্যে ছাড়ুন। ডাল ভালো করে ফুটলে সামান্য নুন ও চিনি দেবেন। নামিয়ে নেওয়ার আগে টমেটো কুচি, কাঁচালঙ্কা, উপরে ছড়িয়ে এবং ঘি ঢেলে গরম গরম পরিবেশন করুন। 

সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চিংড়ি দিয়ে মুগডাল। Prawn Dal Recipe

 উপকরণ:- ১ কাপ মুগডাল, খোসা ছাড়ানো মাঝারি মাপের চিংড়ি ১ কাপ পরিমাণে, মাঝারি আকারের ২ টা পেঁয়াজ কুচানো, থেঁতো করা ৪ কোয়া রসুন, ৬-৮ টা কাঁচালঙ্কা চেরা, ২ চা চামচ আদাবাটা, মাঝারি সাইজের টমেটো ১ টা, ২ টি তেজপাতা, ১ চা চামচ সাদাজিরে, নুন ও তেল আন্দাজ মতো, হলুদগুঁড়ো ও লঙ্কারগুঁড়ো ২ চা চামচ করে, ১ চা চামচ ঘি, ২ টি ছোট এলাচ, ২ টা লবঙ্গ ও তিনটি দারচিনি। 

পদ্ধতি:- মুগডাল ভালো করে ভেজে ধুয়ে প্রথমে সেদ্ধ করে নিন। এরপরে চিংড়ি ধুয়ে নুন, হলুদ মাখিয়ে একটু সময় রেখে কড়াইতে তেল গরম করে চিংড়ি ভেজে তুলে রাখুন। এবার ঐ কড়াইতে দুই টেবিল চামচ তেল গরম করে জিরে, তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজকুচি দিয়ে লাল করে ভাজুন। তারপর রসুন দিয়ে ঘি, লঙ্কা, হলুদ, আদা ও টমেটো দিয়ে কষুন। মাঝেমধ্যে অল্প জল দেবেন। এখন ভাজা চিংড়ি দিয়ে ডাল ঢেলে দিন। বেশ ভালো করে ফুটে উঠলে কাঁচালঙ্কা দিয়ে নামিয়ে নিন। 

মুসুর ডাল তৈরির পদ্ধতি । Musur Daler Recipe

 কাঁচামাল:- ২০০ গ্রাম মুসুর ডাল, ১টি বড়ো চামচ হলুদবাটা, ১ টেবিল চামচ ধনেবাটা ও আদাবাটা, অর্ধেক নারকেলের খানিকটা কোরানো আর বাদবাকি বাটা, মাঝারি সাইজের পাকা তেঁতুল ১ দলা, ছোট ১ চামচ গোটা জিরা, স্বাদমতো নুন ও চিনি, ফোড়নের জন্য ২ আঁটি কারিপাতা, ৫০ মিলিলিটার সাদা তেল। 

কিভাবে বানাবেন? 

-   নুন দিয়ে ডাল ও হলুদবাটা জলে সেদ্ধ করুন।একটি ডেকচিতে তেল গরম করে গোটা জিরে ও কারিপাতা ফোড়ন দিন। ধনেবাটা ও আদাবাটা দিয়ে কষুন। এতে আগে থেকে সেদ্ধ করা ডাল মিশিয়ে তেঁতুলগোলা জল, নুন ও চিনি দিয়ে দিন। তারপর ১০ মিনিটের মতো সময় ধরে ফোটান। নারকেল কোরা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। 

রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কিমা ডাল কিভাবে বানাবেন ? Kima Dal Recipe

 উপকরণ:- ২০০ গ্রাম ছোলার ডাল, ২০০ গ্রাম মাংসের কিমা, ৪ টি পেঁয়াজ নিয়ে দুটি কুচিয়ে নিন আর দুটো কুরিয়ে নিন, ৪-৫ কোয়া রসুন বাটা, ২৫ গ্রাম আদা বাটা, ১০০ গ্রাম টকদই, ১-২ টা শুকনো লঙ্কা, সামান্য গরম মশলা, স্বাদমতো নুন, সামান্য চিনি, পরিমাণমতো সরষের তেল, আপনার ইচ্ছেমতো ঘি, ১ টেবিল চামচ ভিনিগার। 

প্রণালী:- বানানোর কিছুক্ষণ আগে থাকতে কিমায় ভিনিগার মিশিয়ে রাখুন। ছোলার ডাল পরিষ্কারভাবে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এবার কড়াই উনুনের আঁচে বসান। তেল গরম করে অর্ধেক পেঁয়াজকুচি দিয়ে বাদামি করে ভাজুন। এবার আদা-রসুন বাটা, বাকি পেঁয়াজ ও কিমা দিয়ে কয়েক মিনিট ধরে কষতে থাকুন। তারপর টকদই দিয়ে নাড়াচাড়া করে নুন, চিনি দিন। এইবার সেদ্ধ হওয়ার মতন জল দিয়ে সেদ্ধ করুন। ঠিক পরমুহুর্তেই একটি ফ্রাইপ্যানে ঘি দিয়ে আঁচে বসান। ছোলার ডাল ঘিয়ে দিয়ে উত্তমরূপে ভাজুন। এরপরে আন্দাজমতো জল দিয়ে সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে নিন। এবার কড়াইতে তেল গরম করে প্রথমে তেজপাতা ফোড়ন দিন। তারপর ডাল ও সেদ্ধ কিমা দিয়ে নাড়তে থাকুন যাতে কড়াইয়ের তলা ধরে না যায়। নামাবার আগে গরমমশলা ও বাকি ঘি দিয়ে ঢাকা দিন ও ঢাকা অবস্থাতেই উনুন থেকে নামিয়ে নিন। 

শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মকাইয়ের ডাল সহজে বানান । Makai Ka Dal Recipe

 উপকরণ:- ২০০ গ্রাম গোটা কড়াইয়ের ডাল, ৫০ গ্রাম রাজমা, ৫-৬ টেবিল চামচ টম্যাটো পিউরি, ১০০ গ্রাম টকদই, ১০০ গ্রাম ফ্রেশ ক্রিম, হাফ চামচ লঙ্কা বাটা, ১ টেবিল চামচ আদা কুচি, ১ চা চামচ রসুন কুচানো, ১ টেবিল চামচ ঘি, আন্দাজ মতো নুন। 

প্রক্রিয়াকরণ:- প্রেশারকুকারে কড়াইয়ের ডাল ও রাজমা ভালো করে সেদ্ধ করুন। কড়াইতে ঘি গরম করে রসুন ও আদা কুচি ভাজতে থাকুন। বেশ কিছুক্ষণ ভাজা হয়ে গেলে নুন ও টমেটো পিউরি দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে আগে থেকে সেদ্ধ করা ডাল কড়াইতে ঢেলে দিয়ে ফুটতে দিন। টকদইয়ে লঙ্কাবাটা মিশিয়ে ফেটিয়ে ডালে ঢালুন। নামিয়ে নেবার আগে ক্রিম ঢেলে নামিয়ে নিন। 

বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

লাউ দিয়ে মুসুর ডাল রান্না করুন । Lau Musur Dal Recipe

 উপকরণ:- মুসুরি ডাল ১ কাপ, মাঝারি সাইজের লাউ ১ টা, ২ টা আলু, ১ টা পেঁয়াজ কুচানো, ৫ কোয়া রসুন, আদা বাটা ২ চা চামচ, অল্প গোটা জিরে, অল্প পরিমাণে বাটা গরম মশলা, কয়েকটি তেজপাতা, স্বাদমতো নুন, আন্দাজ মতো হলুদ, পরিমাণ মতো তেল। 

প্রক্রিয়াকরণ:- মাঝারি মাপে লাউ ও আলু কেটে ধুয়ে নিন। ডালও ধুয়ে রাখুন। একটি প্রেশারকুকারে তেল গরম করে গরম মশলা, তেজপাতা ও জিরে ফোড়ন দিন। তার সাথে পেঁয়াজকুচিও দিয়ে দেবেন। সমস্ত বাটা মশলা, ডাল, লাউ ও আলু দিয়ে ভালো করে কষুন। এরপরে নুন ও হলুদ দিন। হাফ লিটারের মতো জল দিয়ে কুকারের মুখ বন্ধ করে দিন। ২-৩ টি সিটির পরে নামিয়ে নিন। দেখবেন বেশ মাখা মাখা হয়েছে। এই লাউ মুসুরি ডাল গরম অবস্থায় খেতে বেশি ভালো লাগে। 

বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ঘরেই তৈরি করুন ডাল মাখানি। How to Cook Dal Makhani at Home Kitchen Easily?

 দুইবার সাঁতলানোসহ উপকরণ:- কড়াইয়ের ডাল ১২০ গ্রাম, ৩০ গ্রাম রাজমা, স্বাদমতো নুন, ১০০ গ্রাম মাখন, ৭৫ মিলিলিটার ক্রিম, প্রথমবার সাঁতলানোর জন্য লাগবে - [ ১২৫ গ্রাম ঘি, ২ টা পেঁয়াজ কুচানো, ১ ইঞ্চি আদা কুচানো, ৫ খানা কাঁচালঙ্কা কুচানো, ১২৫ গ্রাম টমেটো কুচি, ২ টেবিল চামচ শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো। ], দ্বিতীয়বার সাঁতলানোর জন্য লাগবে - [ ২৫ গ্রাম ঘি, ১ টেবিল চামচ দারচিনি, অর্ধেক রসুন কুচানো, ১ চিমটি হিং, ২ চা চামচ কসুরি মেথি। ]

সহজ পদ্ধতি:- যেদিন সকালে বানাবেন তার আগের দিন রাতে শোয়ার আগে দুই ধরনের ডাল একসাথে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে বানানোর শুরুতে দুই লিটার জলে নুন দিয়ে ঐ ডাল সেদ্ধ করে নিন। পুরো সেদ্ধ হয়ে গেলে উনুন থেকে নামিয়ে ডালের কাঁটা দিয়ে ফেটিয়ে নিন। এবার শুরু করুন প্রথমবার সাঁতলানো। কড়াইতে ঘি গরম করে পেঁয়াজ ভেজে আদা ও লঙ্কা ছাড়ুন। ভাজতে ভাজতে সোনালী রঙের হয়ে উঠলে টমেটো কুচি দিয়ে ভালো করে ভেজে নিন। এরপরে এই ভাজা মিশ্রণ পাত্রে রাখা ডালের মধ্যে ঢেলে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে দিন ও আঁচে বসান। ফুটে উঠলে দেখবেন তেল ভেসে উঠবে। এরপরে নামিয়ে নিন ও একটি বড়ো বাটিতে রাখুন। এইবার দ্বিতীয়বার সাঁতলানোর জন্য রাখা ঘি গরম করে তাতে প্রথমে দারচিনি ছাড়ুন। পরের মুহুর্তে ধীরে ধীরে রসুন দিয়ে বাদামি করে ভেজে পুরো ডালটা ঢেলে দিন। কসুরি মেথি ও হিং দিয়ে নামিয়ে নিন। মাখন ও ক্রিম দিয়ে পরিবেশন করুন। 

কড়াইশুঁটির কচুরি কিভাবে বানাবেন । Karaishuntir Kochuri Recipe

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম কড়াইশুঁটি, অল্প হিং, হাফ চামচ নুন, ৩ চামচ মৌরি গুঁড়ো, সিকি চামচ গরম মশলা, ২-৩ টা শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো, গোলমরিচ ও জিরের গুঁড়ো হাফ চামচ করে, ২ চামচ চিনি, ৬-৭ চামচ তেল, ৪০০ গ্রাম ময়দা, ময়ান ও ভাজার জন্য ঘি বা বনস্পতি ৩০০ গ্রাম। 

পদ্ধতি:- প্রথমে ২ চামচ জলে হিং ভিজিয়ে রাখুন। একটি পাত্রে ময়দা নিয়ে তাতে ৩-৪ চামচ ঘি, নুন ও জল দিয়ে শক্ত করে মেখে রাখুন। এবার কড়াইশুঁটির দানা বেটে একটি কড়াইতে ৬-৭ চামচ তেল গরম করে তারমধ্যে দানাবাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। কিছুটা শুকনো মতো হয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে হিংয়ের জল, মশলা গুঁড়ো, নুন ও চিনি ছড়িয়ে ভালোভাবে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে থালায় ঢেলে ঠান্ডা করে নিন। তারপর মাখা ময়দা থেকে লেচি কাটুন। গোল করে নিয়ে বুড়ো আঙুল দিয়ে চেপে ঠুলি তৈরি করে ভিতরে কড়াইশুঁটির পুর দিয়ে মুখ বন্ধ করে ময়দার গুঁড়ো দিয়ে গোল করে লুচির মতো করে বেলুন। বেলার সময় দেখবেন যেন ফেটে না যায়। এবার কড়াইতে বেশি করে ঘি বা বনস্পতি গরম করে একটি করে উলটে-পালটে ভেজে নিন। আপনাদের পছন্দসই আমিষ বা নিরামিষ তরকারির সাথে পরিবেশন করুন। 

মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

খাস্তা কচুরি কিভাবে বানাবেন?। Khasta Kachuri Recipe

 উপকরণ:- ২৫০ গ্রাম ময়দা, ১০০ গ্রাম কলাইয়ের ডাল, হাফ চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, ১ চামচ মৌরি গুঁড়ো, ২ টি শুকনো লঙ্কা গরম করে গুঁড়ো করে নেবেন, সিকি চামচ গরম মশলা গুঁড়ো, অল্প হিং, খাবার সোডা ও নুন অল্প করে, প্রয়োজনীয় পরিমাণে ঘি বা বনস্পতি, সিকি চামচ চিনি। 

বানানোর পদ্ধতি:- যখন তৈরি করবেন তার কমপক্ষে ৩ ঘন্টা আগে একটি বাটিতে ১০০ গ্রাম কলাইয়ের ডাল ভিজিয়ে রাখুন। বানানোর শুরুতে ভেজানো ডালের খোসা তুলে নিয়ে ভালো করে বেটে নিন। ১ চামচ জলে হিং-টা গুলে নিন। এইবার ময়দায় খাবার সোডা ও নুন মিশিয়ে ২-৩ বার চেলে নিন। চালা ময়দায় ৫০ গ্রাম ঘি বা বনস্পতি ময়ান দিয়ে আন্দাজ মতো জল দিন। তারপর ঠেসে ঠেসে মাখুন। এরপরে একটি কড়াইতে ২-৩ চামচ ঘি বা বনস্পতি গরম করে ওতে ডালবাটা প্রথমে দিয়ে অল্পক্ষণ নেড়ে নিন ও তার মধ্যে গুঁড়ো মশলা, নুন ও চিনি দিয়ে কিছুটা সময় নেড়েচেড়ে নামান। এতে এখন হিংয়ের জল মেশান। এবার মাখা ময়দা থেকে লেচি কেটে বুড়ো আঙুল দিয়ে চেপে ঠুলি করে ডালের পুর দিয়ে লেচির মুখ বন্ধ করুন। গোল করে নিয়ে দুই হাত দিয়ে চ্যাপ্টা করে উনুনের নরম আঁচে ছাঁকা ঘিয়ে বাদামি করে একটা একটা করে ভেজে নিন। পরিশেষে পছন্দের আমিষ বা নিরামিষ তরকারির সাথে নিজে খান অথবা অন্যকে খাওয়ান। 

রুটি বা চাপাটি তৈরি করুন। Chapati or Roti Making

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম আটা, হাফ চামচ নুন, কিছুটা মাখন। 

প্রণালী:- আটায় নুন ও পরিমাণ মতো জল দিয়ে নরম করে ১০-১৫ মিনিট ধরে ঠেসে ঠেসে মাখুন। মাখা আটা ১ ঘন্টা রেখে দিন। এইবার লেচি কেটে আটার গুঁড়ো দিয়ে পাতলা ভাবে গোল করে বেলে চাটুতে সেঁকে আগুনে ফেলে ফুলিয়ে নিন। তারপর গুঁড়ো ঝেড়ে মাখন লাগিয়ে গরমাগরম পরিবেশন করুন। 

সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০

সহজে বানিয়ে খান আলুর পরোটা । Alur or Potato Paratha Recipe

 উপকরণ:- ৪ টা বড়ো সাইজের আলু, ৩৫০ গ্রাম ময়দা, [ লঙ্কাগুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো ] - সবকয়টি হাফ চামচ করে। মৌরিগুঁড়ো ১ চামচ, চিনি হাফ চামচ, পাতিলেবুর রস হাফ চামচ, পেঁয়াজ বাটা ৪ চামচ, আদা বাটা ১ চামচ, আন্দাজ মতো নুন, ঘি অথবা বনস্পতি প্রয়োজন মতন। 

প্রণালি:- প্রথমে একটি পাত্রে তিন চামচ ঘি বা বনস্পতি, নুন ও আন্দাজ মতো জল দিয়ে ঠেসে ঠেসে নরম করে মেখে রাখুন। এবার আলু সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন। সমস্ত মশলা, লেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে আলু ভালো করে চটকে নিয়ে পুর তৈরি করুন। প্রয়োজন মতো অর্থাৎ লেচির সংখ্যা অনুসারে পুর সমানভাবে ভাগ করে নেবেন। এবার প্রতিটি ময়দার লেচি বুড়ো আঙুল দিয়ে চেপে ১ ভাগ করে পুর দিয়ে লেচির মুখ বন্ধ করে দিন। এরপরে ময়দার গুঁড়ো মাখিয়ে লেচি মোটা মোটা গোলাকারে বেলে নিন। শুধু লক্ষ্য রাখবেন যে বেলার সময় যেন ফেটে না যায়। তারপরে উনুনে চাটু বসিয়ে গরম করে ১ টি বা ২ টি করে আলুর পরোটা ভেজে নিন। মনে রাখবেন, প্রতিটি পরোটা ১ চামচ ঘি বা বনস্পতি দিয়ে একটু কড়া করে ভাজবেন। টম্যাটো সস দিয়ে খেতে সত্যিই দারুণ লাগে। 

পরোটা বানান। How to Make Paratha Easily?

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম ময়দা, ৫-৬ চামচ ময়ানের জন্য ঘি বা বনস্পতি, ২ চামচ টকদই, সিকি চামচ নুন, ভাজার জন্য ঘি বা বনস্পতি। 

প্রণালী:- একটি বড়ো পাত্রে ময়দা নিয়ে তারমধ্যে ময়ানের ঘি বা বনস্পতি, টকদই, নুন মিশিয়ে ঠেসে ঠেসে শক্ত করে মাখুন। এইবার লেচি কেটে নিন। লেচিগুলি গোল গোল করে নিয়ে ময়দার গুঁড়ো দিয়ে প্রথমে লুচির মতো গোলাকার করে বেলে নিন। এবার অর্ধেক ভাঁজ করুন। আবার অর্ধেক ভাজের কোনা ধরে অপর কোন যোগ করে ত্রিকোণ আকৃতির করুন। যদি চান তো প্রত্যেক ভাঁজে গলানো ঘি বা বনস্পতি হাতে করে লাগিয়ে ভাঁজ করতে পারেন। এতে পরোটা মুচমুচে ও ভাজগুলো আলাদা হবে। এইবার বেলে বড়ো সাইজের কাচা পরোটা বানান। তারপর একটি গরম চাটুতে এক চামচ করে ঘি বা বনস্পতি দিয়ে একটা একটা এপিঠ-ওপিঠ করে ভেজে নিন। ভাজার সময় জোড়ার মুখ খুন্তি দিয়ে চেপে ধরলেই পরোটা ফুলে উঠবে। একটু কড়া করে ভাজবেন।

রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০

আলুর পুরি বানানো শিখুন। Make Potato Puri at Home Kitchen

উপকরণ:- ২০০ গ্রাম ময়দা, ২০০ গ্রাম আলু, ১ চামচ লঙ্কা গুঁড়ো, হাফ চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, আন্দাজ মতো নুন, ভাজার জন্য ঘি বা বনস্পতি। 

তৈরির প্রণালি:- সর্বপ্রথম আলু সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে একটি বড়ো পাত্রে ভালো করে চটকে নিন। এইবার আর একটি বড়ো পাত্রে ময়দা নিয়ে তার মধ্যে লঙ্কা ও মরিচ গুঁড়ো, চটকানো আলু দিন। এরপরে পরিমাণ মতো জল দিয়ে ১০-১৫ মিনিট ধরে ঠেসে ঠেসে ভালো করে মাখুন। মাখা হয়ে গেলে ছোট ছোট লেচি করে একটু ঘি বা বনস্পতি দিয়ে গোল গোল করে বেলে নিন। বেলা হয়ে গেলে একটি কড়াইতে ঘি বা বনস্পতি গরম করে একটি একটি করে এপিঠ-ওপিঠ উল্টে পাল্টে রঙ ধরিয়ে ভেজে নিন। সবটা ভাজা হয়ে গেলে পছন্দের আমিষ বা নিরামিষ তরকারির সাথে পরিবেশন করুন। 

চটপট আটার পুরি বানিয়ে ফেলুন। How to Make Wheat Flour Puri at Home Easily?

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম আটা, ময়ানের জন্য ২০-২৫ গ্রাম ঘি বা বনস্পতি, হাফ চামচ নুন, ভাজার জন্য ঘি বা বনস্পতি। 

প্রণালি:- একটি পাত্রে পুরো আটা নিন। এর মধ্যে নুন, ময়ানের ঘি মিশিয়ে পরিমাণ মতো জল দিয়ে ১০-১৫ মিনিট সময় নিয়ে ঠেসে ঠেসে একটু টাইট বা শক্ত করে মাখুন। তারপর লুচির লেচির চেয়ে একটু বড়ো বড়ো লেচি কেটে ঘি দিয়ে গোল করে সবকয়টি বেলে নিন। এবার কড়াইতে ঘি বা বনস্পতি গরম করে একটা একটা করে লুচি ভাজার মতো ভেজে নিন। সবকয়টি ভাজা হয়ে গেলে পছন্দের আমিষ অথবা নিরামিষ তরকারির সাথে পরিবেশন করুন। 

রাধাবল্লভী তৈরির পদ্ধতি । Radhaballavi Recipe

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম ময়দা, ৫ চামচ ময়ানের ঘি, হাফ চামচ নুন, ২-৩ চামচ টকদই, ১০০ গ্রাম কলাইয়ের ডাল, ২ চামচ মৌরিগুঁড়ো, ৬-৭ চামচ সাদা তেল, অল্প হিং, ভাজার জন্য ঘি।

পদ্ধতি:- যেসময় বানাবেন তার ৬-৭ ঘন্টা আগে থাকতে একটি ছোট বাটিতে কলাইয়ের ডাল ভিজিয়ে রাখুন। একই সময়ে একটুখানি জলে হিং-ও ভিজিয়ে রাখবেন। বানাবার ঠিক আগে প্রথমে একটি বড়ো পাত্রে ময়দা নিন। ওর মধ্যে ময়ানের ঘি, টকদই, নুন ও পরিমাণ মতো জল দিয়ে ঠেসে ঠেসে মেখে নিন। বেশি নরম করবেন না। বরঞ্চ যাতে একটু আঁটোসাঁটো হয় সেটা লক্ষ্য রাখবেন। এরপরে ভেজানো কলাইয়ের ডাল জল থেকে তুলে ঘসে ঘসে খোসা তুলে শিলে বেটে নিন। এবার জ্বলন্ত উনুনে কড়াই চাপিয়ে সাদা তেল দিয়ে তা গরম করে ওতে ডালবাটা ও নুন পরিমাণ মতো দিয়ে কিছুটা নেড়েচেড়ে নামিয়ে রাখুন। তারপরে ডালবাটায় মৌরিগুঁড়ো ও হিংয়ের জল মিশিয়ে একটি পাত্রে ঢেলে ছড়িয়ে রাখুন। এবার হাতে একটু ঘি মেখে মাখা ময়দা আর একবার ঠেসে ঠেসে মাখুন। মাখা হলে লেচি কেটে গোল করে ঠুলি তৈরি করুন। আর তার মধ্যে ডালের পুর দিয়ে মুখ বন্ধ করে দিন। হাত দিয়ে চেপে চ্যাপ্টা করে লুচি বেলার মতো গোল করে বেলে নিন। খেয়াল রাখবেন যে, বেলবার সময় যেন ফেটে না যায়। এবার উনুনে আবার কড়াই চাপিয়ে ঘি বা বনস্পতি বেশি করে দিয়ে একটি একটি করে ছাঁকা ঘিয়ে ভেজে তুলুন। আলুর দম বা ঘুঘনির সাথে পরিবেশন করতে পারেন। 

শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০

ফুলকো লুচি বানিয়ে খান। Phulko Luchi Recipe

 উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম ময়দা, ৫-৬ চামচ ময়ানের জন্য ঘি, অল্প নুন, ভাজার জন্য ঘি বা বনস্পতি। 


প্রণালী:- প্রথমে একটি বড়ো পাত্রে ময়দা নিন। ওতে ময়ানের জন্য রাখা ঘি, নুন ও পরিমাণ মতো জল দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট ঠেসে ঠেসে মাখুন। দেখবেন যেন পাতলা না হয়। ময়দা ভালো করে ঠেসে মাখলে লুচি খুব ফুলে উঠবে। মাখার সময় গুঁড়ো ও জল বারে বারে মেশালে লুচি ফুলবে না। তাই শুরুতে একবারেই পরিমাণমতো জল নিয়ে নিতে হবে। ময়দা মাখা হয়ে গেলে লেচি কেটে ঘি দিয়ে গোল গোল করে বেলে উনুনের নরম আঁচে ঘি গরম করে ছাঁকা ঘিয়ে একটা করে ভাজুন। গরম  ঘিয়ে লুচি ছেড়ে দিয়ে খুন্তি দিয়ে লুচির মাঝখানটা আলতো করে টিপে ধরলেই দারুণ ফুলে উঠবে। একদিক ফুলে উঠলে অন্যদিকটা উল্টে ভাজুন। ঘি বেশি বা কম গরম যেন না হয়। তাহলে, লুচি ফুলে উঠবে না। 


ফলের স্যালাড (২)। Fruit Salad Recipe (2)

 উপকরণ:- লাল অংশ বের করে নেওয়া ১টা তরমুজ, চৌকো করে কাটা দুই টেবিল চামচ পাকা পেঁপের টুকরো, চৌকো করে কাটা ২ টেবিল চামচ আঙুরের টুকরো, ১টি কমলালেবুর কোয়া চৌকো করে কাটা, একটি পাকা কলা চৌকো করে কাটা। 

ড্রেসিং বা সাজানোর জন্য:- কিছুটা কমলালেবুর রস, খানিকটা পাতিলেবুর রস, ১ টেবিল চামচ রাম, ১ টেবিল চামচ মধু, হাফ টেবিল চামচ চিনি, হাফ টেবিল চামচ কুচানো পেস্তা। 

প্রণালী:- সব কয়টি উপকরণ একসাথে মিশিয়ে তরমুজের খোলায় সাজিয়ে রাখুন। এর উপরে সাজানোর জিনিস দিয়ে আরো সুন্দর করে ড্রেসিং করে পরিবেশন করুন। 

ফলের স্যালাড (১)। Fruit Salad Recipe (1)

উপকরণ:- অর্ধেক করে চিরে নেওয়া আনারস ১টা, আন্দাজ মতো কালো আঙুর, প্রয়োজন মতো চিনি, ২৫০ গ্রাম ডবলক্রিম, দরকার মতন ব্রান্ডি বা রাম। 

প্রথম পদ্ধতি:- অর্ধেক করে কেটে নেওয়া আনারসের মধ্য থেকে আনারস কুরিয়ে বের করে নিন। চোখগুলো কেটে বাদ দিয়ে টুকরো করুন। আনারস ও কালো আঙুরের কুচি গুলো একসাথে ব্রান্ডি বা রামে ভেজান। এর উপর চিনি ছড়িয়ে ফ্রিজে রেখে বরফঠান্ডা করুন। আর একটি পাত্রে ডবলক্রিমের সাথে চিনি মিশিয়ে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন। বেশ ঘন হবে। এটাও ফ্রিজে রেখে বরফঠান্ডা করুন। যখন পরিবেশন করবেন তখন আনারসের খোল দুটি পাশাপাশি রেখে তার মধ্যে ফলের টুকরোগুলো দিয়ে উপরে ঠান্ডা হওয়া ক্রিম ঢেলে সুন্দর করে সাজিয়ে নেবেন। 

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

মিক্সড স্যালাড বানিয়ে ফেলুন। Mixed Salad Making Process

 উপকরণ:- ২টা মাঝারি সাইজের গাজর, ২টি বিট, ১টা শসা, ৩টি টমেটো, ১টা বড়ো পেঁয়াজ, হাফ কাপ পরিমাণে ছাড়ানো কড়াইশুঁটি, কিছুটা লেটুস পাতা, হাফ কাপ পরিমাণে সরু করে কাটা বাঁধাকপি, ১ টেবিল চামচ মেয়োনিজ সস, হাফ চা চামচ টোম্যাটো সস, কয়েক ফোঁটা চিলি সস। 

তৈরির প্রণালি:- প্রথমে গাজর, বিট, শসা, টমেটো ও পেঁয়াজ গোল গোল করে কেটে নিন। তারপর গাজর, বিট, বাঁধাকপি ও কড়াইশুঁটি আলাদাভাবে নুন জলে অল্প সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ করার পরে একটি বড়ো প্লেট নিয়ে তার মাঝখানে বাঁধাকপি দিয়ে চারপাশে কড়াইশুঁটি সাজিয়ে দিন। টমেটো সহ বাকি সব সবজি পরপর সাজিয়ে দিন। এইবার মেয়োনিজ, টোম্যাটো ও চিলি সসগুলি ভালো করে ফেটিয়ে বাঁধাকপির উপর ঢেলে দিন। এইভাবে তৈরি করা স্যালাড ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে খান বা পরিবেশন করুন। 

চকোলেট ফ্রুট স্যালাড তৈরির পদ্ধতি। Chocolate Fruit Salad Recipe

 উপকরণ:- ১টি বড়ো কমলালেবু, ১টি বড়ো মিষ্টি আপেল, ১২৫ গ্রাম মিষ্টি আঙুর, চৌকো করে কাটা অর্ধেক ফুটি বা খরমুজ, ২ টেবিল চামচ শেরি, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১৭৫ গ্রাম গলানো চকোলেট, খানিকটা ক্রিম। 

প্রণালী:- সবার আগে কমলালেবুর খোসা ছাড়িয়ে কোয়া আলাদা করে রাখুন। আপেলও কমলালেবুর মতো করে কেটে রাখুন। একটি কাঁচের প্লেটে সমস্ত ফলগুলো সাজিয়ে শেরি ছড়িয়ে ঘন্টাখানেক ঢাকা দিয়ে রেখে দিন। এইবার একটা একটা করে শেরি ফল কাঠিতে গেঁথে অন্য একটি পাত্রে রাখা গলানো চকোলেটে চুবিয়ে আর একটি পাত্রে সাজিয়ে রাখুন। খেয়াল রাখবেন চকোলেটটা যেন প্রত্যেক ফলের কেবল অর্ধেকটাতেই লাগানো হয়। এইভাবে বাদবাকি সবকয়টি ফলই চকোলেটে অর্ধেকটা করে চুবিয়ে একটি পাউরুটির কাগজের উপর খানিকটা সময় রাখুন। শেষে একটি প্লেটে এগুলো সাজিয়ে ক্রিম ও লেবুর রস উপরে ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন। 

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০

ভিন্ডি অর্থাৎ ঢ্যাঁড়সের স্যালাড খুব সহজে বানিয়ে ফেলুন। Bhindi Salad Recipe

 উপকরণ:- ৪৫০ গ্রাম ওজনের ভালো কচি ভিন্ডি বা ঢ্যাঁড়স, ১টি বড়ো পেঁয়াজ কুচানো, ৪ টেবিল চামচ সূর্যমুখী তেল বা সানফ্লাওয়ার অয়েল, ২ টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস, ১ কোয়া রসুন বাটা, ১ চা চামচ চিনি, নুন ও গোলমরিচ গুঁড়ো স্বাদমতো। 

পদ্ধতি:- প্রথমেই সমস্ত উপকরণ হাতের সামনে জোগাড় করে নিলে খুব সহজে অল্প সময়ে এটি তৈরি করে নিতে পারবেন। সবার আগে কচি ঢ্যাঁড়স ভালো করে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। তারপরে এই টুকরোগুলো গরম ফুটন্ত জলে দিয়ে একটু জলটা ফুটিয়ে নিন। এরপর ভিন্ডির টুকরোগুলো তুলে নিয়ে ভালো করে জল ঝরিয়ে নিন। এইবার একটি পাত্রে ঢ্যাঁড়স আর পেঁয়াজ কুচি রাখুন। এতে লেবুর রস, তেল, রসুন বাটা, চিনি, নুন ও গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পরিবেশন করুন। খুবই স্বাস্থ্যকর খাবার। ভাত বা রুটির সাথে খেতে বেশ ভালোই লাগে। 

স্বাস্থ্যকর রেনবো স্যালাড | Prepare Rainbow Salad at Home Easily

 কি কি উপকরণ লাগে?:- ১ টা বড়ো বা মাঝারি সাইজের আনারস, ২ টা শশা, ২ খানা পাকা লাল টমেটো, ২ চা চামচ ভিনিগার, ১ টেবিল চামচ সাদাতেল, অর্ধেক চা চামচ সরষেগুঁড়ো, ১ চা চামচ চিনি, নুন ও মরিচ গুঁড়ো স্বাদমতো ব্যবহার করুন। 

বানানোর পদ্ধতি:- আনারস লম্বালম্বিভাবে চার টুকরো করে কাটুন। পাতাগুলো ফেলবেন না। এইবার একটি ধারালো ছুরি দিয়ে আনারসের শাঁসটা সাবধানে লম্বা ভাবে কেটে তুলে নিন। টুকরো করে কেটে আবার ওখানেই ভরে দিন। এবার শশা ও টমেটো গোল গোল স্লাইস করে কেটে আনারসের টুকরোর মধ্যে পরপর সাজিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন। এই ফাঁকে বাদবাকি সমস্ত উপকরণ একসাথে মিশিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে রাখুন। একদম শেষে ঠান্ডা স্যালাডের উপর এই মিশ্রণ ঢেলে নিলেই রেনবো স্যালাড পুরোপুরি প্রস্তুত। 

বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০

স্প্রিং স্যালাড তৈরির পদ্ধতি | Spring Salad Easy Recipe

 উপকরণ:- ১০০ গ্রাম ছোট গাজর, ১০০ গ্রা. বিন, লেটুস পাতা ১ আঁটি, কিছুটা পাঁচমিশেলি শাক ( পেঁয়াজ শাক, পার্সলে, সেলারি, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা ), ১টা ডিম। ড্রেসিং-এর জন্য [ ২ টেবিল চামচ ভিনিগার, হাফ চা চামচ মাস্টার্ড ( সরষের তেল ), ৪ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, নুন-মরিচ-চিনি স্বাদমতো ] নিন। 

প্রক্রিয়া:- প্রথমে একটি ঢাকনাওয়ালা জারে ড্রেসিং-এর সবকয়টি উপকরণ রেখে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। গাজর, বিন কেটে নিন। শাকগুলি জলে ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন। একটি পাত্রে সিকি কাপ জলে স্বাদমতো নুন, ১ চামচ চিনি দিয়ে গাজর সেদ্ধ করুন। জল ফুটতে ফুটতে যেন পুরো টেনে যায়। এবার আর একটি পাত্রে কিছুটা জল ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত জলে ২-৩ মিনিট ধরে কাটা বিনগুলিকে ভিজিয়ে রাখুন। এইভাবে বিনগুলি কিছুটা সেদ্ধ হয়ে যাবে। এবার একটি ডিমের পোচ বানিয়ে রাখুন। যে পাত্রে পরিবেশন করবেন তাতে লেটুসপাতা ছড়িয়ে উপরে গাজর, বিন, পাঁচমিশেলি শাক দিয়ে ড্রেসিং ছড়ান। একেবারে উপরে ডিমের পোচ রেখে পুরো সাজিয়ে নিয়ে পরিবেশন করুন। 

কিভাবে ভেজিটেবল ফ্রেঞ্চ ওনিয়ন স্যুপ তৈরি করবেন? Vegetable French Onion Soup Recipe

 তৈরির কাঁচামাল:- ৪টি মাঝারি আকারের পেঁয়াজ, ৪ চা চামচ মাখন, হাফ কাপ চীজ কোরানো, ১টি বড়ো গাজর টুকরো করে কাটা, ২ পিস বড়ো স্লাইস পাঁউরুটি, হাফ চা চামচ চিনি ও নুন আন্দাজ মতো। 

কিভাবে তৈরি করবেন?:- প্রথমে ২টি পেঁয়াজ টুকরো করে কেটে নিন ও এর সাথে টুকরো করে কাটা গাজর নিয়ে একটি বড়ো বা মাঝারি পাত্রে রাখুন। এবার এই পাত্রে ৫ কাপ জল ও আন্দাজ মতো নুন দিয়ে উনুনের আঁচে বসান। ফুটিয়ে সবটা সেদ্ধ হয়ে গেলে ২ কাপ জল অবশিষ্ট থাকতে থাকতে উনুন থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিন। বাকি দুটি পেঁয়াজ পাতলা স্লাইস করে কেটে নিন। পাঁউরুটি ২ পিস্ কড়া করে টোস্ট করে পাশগুলো কেটে বাদ দিয়ে মাঝের অংশ নিন। আবার পাত্রটি আঁচে বসিয়ে মাখনটা দিয়ে দিন। মাখন গরম হয়ে এলে বাকি স্লাইস করে কাটা পেঁয়াজগুলি বাদামি করে ভাজুন। এরপর ছাঁকা স্যুপের জল ওতে দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিয়ে উনুন থেকে নামিয়ে নিন। এবার দুইটি ছোট পাত্রে সমানভাবে ঢালুন। প্রত্যেকটিতে ১ পিস করে পাঁউরুটি টোস্ট দিয়ে উপরে কোরানো চীজ ছড়িয়ে মাঝারি আঁচে মাইক্রোওভেনে বেক করতে দিন। বাদামি রঙের হয়ে গেলে নামিয়ে নেবেন। 

সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০

চিকেন অর্থাৎ মুরগির মাংসের স্টক বা স্যুপ। Chicken Stock or Soup Recipe

 উপকরণ:- বোনলেস মুরগির মাংস ৩০০ গ্রাম ৮ টুকরো করে কাটা, ১টা বড়ো পেঁয়াজ কুচানো, ১টা ছোট গাজর কুচানো, ২ চা চামচ সেলেরি পাতা কুচানো, ২-৩ টা তেজপাতা, লবঙ্গ-এলাচ-দারচিনির প্রত্যেকটি ২টি করে, ১ চা চামচ চিনি, স্বাদমতো নুন। 

প্রণালী:- উনুনের আঁচে একটি বড়ো ডেকচি বসিয়ে মাংস সমেত সমস্ত উপকরণ দিয়ে ২ লিটার জল ঢেলে দিন। আর একটি ঢাকনা দিয়ে পাত্রটিকে ঢেকে দিন। যখন ফুটতে শুরু করবে তখন ঐ ঢাকনা অল্প সরিয়ে আঁচ কম করে দিয়ে দেড় থেকে দুই ঘন্টা সময় ধরে ফোটান। তারপর উনুন থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে ছেঁকে নিন। জল কমবেশি ১ লিটার বের হবে। এই চিকেন স্টক ফ্রিজে রেখে দুই দিন ব্যবহার করতে পারবেন। যদি ডেকচির বদলে প্রেশার কুকারে তৈরি করেন তাহলে ১.৫ লিটার জল দিয়ে ৪০ মিনিটের মতো সময় ধরে সেদ্ধ করলেই হবে। 

খাসি বা পাঁঠার মাংসের স্টক অথবা স্যুপ। How to Make Mutton Stock or Soup at Home Easily?

 (১) মটন স্টক:

উপকরণ:- ৫০০ গ্রাম খাসি বা কচি পাঁঠার নালীর হাড় ছোট ছোট টুকরোতে কাটা, ১টা বড়ো পেঁয়াজ চার টুকরো করে কাটা, ৪টা ছোট এলাচ, ১ ইঞ্চি দারচিনি, ৩-৪ টা তেজপাতা, ১টা খোসা ছাড়ানো গাজর কুচানো, ১ চা চামচ চিনি ও নুন স্বাদমতো। 

প্রক্রিয়া:- মাংসের হাড় ও অন্যান্য উপকরণ সামগ্রী একটি বড়ো ডেকচিতে রাখুন। তারপর ২ লিটার জল দিয়ে উনুনের আঁচে বসিয়ে ডেকচির মুখে ঢাকনা দিয়ে দিন। পুরোপুরি ফুটে উঠলে ঢাকা অল্প সরিয়ে দিন। এরপর নরম আঁচে দেড় থেকে দুই ঘন্টা ফোটান। তারপর উনুন থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে ছেঁকে নিন। দেখবেন ১ লিটারের মতো জল বের হবে। এখন আপনার মাংসের স্টক পুরো তৈরি। ফ্রিজে রেখে ২-৩ দিন ব্যবহার করতে পারবেন। এটি যদি প্রেসার কুকারে রান্না করেন তাহলে দেড় লিটারের মতো জল লাগবে আর ৪০ মিনিট ফুটিয়ে সেদ্ধ করলেই হবে। 


(২) মটন স্যুপ:

উপকরণ:- বোনলেস খাসি বা পাঁঠার মাংস ২৫০ গ্রাম, ১টি বড়ো পেঁয়াজ টুকরো করে কাটা, হাফ চা চামচ কুচানো আদা, ৭-৮ টা গোলমরিচ, হাফ কাপ নারকেলের দুধ, ১ চা চামচ কর্নফ্লাওয়ার, ১টি পাতিলেবু, কিছুটা গোটা গরমমশলা, অর্ধেক চামচ চিনি, ১ চা চামচ মাখন, আন্দাজ মতন বা স্বাদমতো নুন। 

কিভাবে তৈরি করবেন?:- একদম প্রথমে গরম জলে নারকেল কোরা ভিজিয়ে দুধ বের করে নেবেন। মাংস ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে পেঁয়াজের টুকরো, আদার কুচি, গরমমশলা, গোলমরিচ ও নুন দিয়ে একটি ডেকচিতে নিয়ে সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে গেলে উনুন থেকে ডেকচি নামিয়ে সব ছেঁকে নিন। অল্প পরিমাণ জলে কর্নফ্লাওয়ার গুলে নিয়ে ওতে ঢেলে দিন। তারপর মাখন গরম করে ওর মধ্যে দিন। ওতে নারকেলের দুধ দিয়ে ভালো করে মেশান। এবার এই মিশ্রণটিকে আঁচে বসিয়ে নাড়তে থাকুন। এবার ওতে ছাঁকা স্যুপ ঢেলে কিছুটা সময় নাড়ুন। ফুটে উঠলে নামিয়ে নিয়ে পাতিলেবুর রস ও মরিচ গুঁড়ো দিয়ে পরিবেশন করুন। 

পেঁয়াজের স্টক বা স্যুপ। Onion Stock or Soup Recipe

 উপকরণ:- বড়ো সাইজের ৩টি পেঁয়াজ কুচানো, ২টি মাঝারি মাপের গাজর খোসা ছাড়িয়ে কুচিয়ে কাটা, কুচিয়ে কাটা সেলেরি ও পার্সলি পাতা একটি ছোট কাপের মাপে, ৪ কোয়া রসুন, ৫-৬ চা চামচ মাপের বাদাম তেল, ১ চা চামচ চিনি, ২ চা চামচ টকদই দিতেও পারেন আবার নাও দিতে পারেন, আন্দাজ ও প্রয়োজন মতো নুন। 

তৈরির প্রণালী:- একটি বড়ো মাপের ডেকচিতে তেল দিয়ে ওভেন বা উনুনের আঁচে বসান। তেল গরম হয়ে গেলে ঐ তেলে চিনি দিয়ে মাত্র মিনিট খানেক সময় নিয়ে নেড়ে এবার পেঁয়াজ কুচি ওর মধ্যে দিয়ে পেঁয়াজ হালকা বাদামী করে ভাজুন। এবার বাদবাকি উপকরণও ঢেলে দিন। ৪-৫ মিনিট হাতা দিয়ে নেড়েচেড়ে দেড় লিটার জল ঢালুন ও আন্দাজ মতো নুন দিয়ে ডেকচিটা ঢাকা দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে ঢাকনাটি সামান্য সরিয়ে উনুনের আঁচ কমিয়ে বা নরম আঁচে আরও আধঘন্টা ফোটান। তারপর উনুন থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিন। ১ লিটারের মতন জল বের হবে। এইভাবে ওনিয়ন স্টক বা পেঁয়াজের স্টক তৈরি করতে হয়। ২ দিন পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রেখে ব্যবহার করতে পারবেন। এই ধরনের স্টক বা স্যুপের ঝোলকে অনেকে সুরুয়া বলে থাকেন। 

রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০

ভেজিটেবল স্টক বা স্যুপ। How to Make Vegetable Stock or Soup Easily?

 উপকরণ:- ২টা মাঝারি আকারের খোসা ছাড়ানো গাজর ডুমো ডুমো করে কাটা, ১টা শালগম বা ওলকপি খোসা ছাড়িয়ে ডুমো ডুমো করে কাটা, ১০০ গ্রাম কুচিয়ে কাটা বাঁধাকপি, ১ মুঠো সেলেরি পাতা কুচানো, ১টা পাকা বড়ো লাল টমেটো, ১টা মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ কুচানো, ৬-৭ চা চামচ বাদাম কুচি, প্রয়োজন মতো রেপসিড তেল, ২-৩ খানা তেজপাতা, ১২-১৪ টা গোলমরিচ, কিছুটা গরমমশলা, হাফ চা চামচ চিনি, আন্দাজ বা প্রয়োজন মতো নুন। 

পদ্ধতি:- উনুনে একটি প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচানো দিন। রঙ ধরা পর্যন্ত নেড়েচেড়ে ভাজতে থাকুন। এবার সমস্ত সবজি ও মশলা দিয়ে আবার কিছুক্ষণ নাড়ুন। তারপর দুই লিটার জল ও প্রয়োজন মতো নুন দিয়ে ১-৩ বার নেড়ে ঐ পাত্রটিকে ঢেকে দিন। যখন দেখবেন ফুটতে শুরু করেছে তখন ঢাকনা অল্প সরিয়ে ঘন্টাখানেক নরম আঁচে ফোটান। এরপর আঁচ থেকে নামিয়ে একটু সময় অপেক্ষা করে ছেঁকে নিন। ১ লিটারের মতো জল বেরোবে। ২ দিন অবধি এই স্টক রেফ্রিজারেটরে রেখে ব্যবহার করতে পারবেন। 

শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০

ভেজিটেবল বা ভেজ রোল বানানো শিখুন। Vegetable or Veg. Roll Recipe

 উপকরণ:- (১) রোলের পুরের জন্য:- দুটি মাঝারি গাজর কুচানো, বড়ো বা মাঝারি ১টা ক্যাপসিকাম কুচানো, ২টা মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ কুচানো, ২টা ছোট আলু কুচানো, ৪ খানা কাঁচালঙ্কা কুচানো, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, নুন ও চিনি স্বাদমতো ও প্রয়োজনমতো, বাদাম তেল ৩ টেবিল চামচ। 

(২) রোলের রুটি বা পরোটার জন্য:- ময়দা ৫০০ গ্রাম, মাখন ১০০ গ্রাম, গোলমরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ, নুন ১ চা চামচ। 

প্রণালী বা পদ্ধতি:- প্রথমে পুরের সব উপকরণ একসাথে মেখে পুর তৈরি করে নিন। পুর রেডি করে সাইডে রেখে দিন। এবার মাখন, নুন, গোলমরিচ গুঁড়ো ও জল দিয়ে ময়দা মেখে নিন। এবার ময়দার তাল থেকে লেচি করে রুটির মতো করো বেলে নিয়ে মাঝখানে লম্বালম্বিভাবে পুর দিয়ে রোলের আকারে তৈরি করে নিন। প্রতি রোলের উপর ব্রাশের সাহায্যে বাদাম তেল মাখিয়ে রাখুন। আপনার মাইক্রোওভেন মাঝারি তাপে আগে থেকেই ১০ মিনিট ধরে একটু গরম করে নিন। একটা বেকিং ট্রেতে একটু তেল মাখিয়ে রোলগুলি পাশাপাশি সাজিয়ে রাখুন। এবার আগে থাকতে গরম করা মাইক্রোওভেনে রোলভরা বেকিং ট্রেটা ঢুকিয়ে আরও ৪০ মিনিট রেখে বের করে নেবেন। রোলগুলির উপরটা একটু বাদামি রঙের হবে। আপনার চাহিদা অনুসারে বেক করার সময় আর একটু বাড়িয়েও নিতে পারেন। ব্যাস্, ভেজিটেবল রোল পুরোপুরি খাওয়ার জন্য রেডি। 

পনিরের রোল কিভাবে বানাবেন? Paneer Roll Recipe

 উপকরণ:- পনির ১৫০ গ্রাম, ৫০ গ্রাম টকদই, আদা ও রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ করে, ৪ টা কাঁচালঙ্কা কুচানো, ১টা পেঁয়াজ কুচানো, ১টা ক্যাপসিকাম কুচানো, লেবুর রস ২ চামচ, সাদা তেল ২-৪ টেবিল চামচ, মাখন ২ টেবিল চামচ, স্বাদমতো নুন ও চিনি, ময়দা ২০০ গ্রাম, কাজুবাদাম বাটা দুই টেবিল চামচ, চারমগজ বাটা ২ টেবিল চামচ, কাবাব মশলা একই পরিমাণে, গুঁড়ো লঙ্কা ২ টেবিল চামচ, গরম মশলার গুঁড়ো সমান মাত্রায়। 

প্রণালী:- পনির মাঝারি মাপে চৌকো করে কাটুন। চারমগজ বাটা, আদাবাটা, রসুনবাটা, কাজুবাটা, টকদই, গুঁড়োলঙ্কা, গরমমশলার গুঁড়ো, কাবাব মশলা, সামান্য তেল ও নুন একসাথে মিশিয়ে পনিরের টুকরোগুলোর উপর ঢেলে দিন। ১০-১২ মিনিট এইভাবে রেখে দিন। এরপর পনিরের টুকরোগুলোর গায়ে ভালো করে আমচুর মাখিয়ে একটি একটি করে তন্দুরি শিকে গেঁথে নিয়ে কাঠকয়লার আগুনে রোস্ট করুন। রোস্টেড পনিরের টুকরোগুলোকে একটি আলাদা পাত্রে রেখে দিন। এইবার তেল, নুন, চিনি ও জল দিয়ে ময়দা মাখুন রোলের পরোটা তৈরির জন্য। ময়দার তাল বেলে পরোটা তৈরি করুন। উনুনে একটি তাওয়া গরম করে তাতে মাখন দিয়ে লালচে করে ভেজে নিন। পরোটা ভাজা হয়ে গেলে ঐ তাওয়াতেই অল্প তেল দিয়ে পনির-পেঁয়াজ কুচি-ক্যাপসিকাম কুচি একসাথে হালকা ভেজে নিয়ে পরোটার মাঝে লম্বালম্বি করে এই ফ্রাই সাজিয়ে নিন। অবশেষে, এর উপরে লেবুর রস ও কাঁচালঙ্কা কুচানো ছড়িয়ে দিয়ে পাতলা সাদা কাগজ দিয়ে গোল করে মুড়ে নিলেই গরমাগরম পনির রোল তৈরি। 

সহজে চিকেন রেশমি কাবাব রোল বানিয়ে ফেলুন। Chicken Reshmi Kabab Roll Recipe

 উপকরণ:- বোনলেস মুরগির মাংস ২০০ গ্রাম, ৪ টেবিল চামচ টকদই, আধ কাপ নারকেলের দুধ, ২টি ডিম, সাদা তেল ২-৪ টেবিল চামচ, শা মরিচ গুঁড়ো ২ টেবিল চামচ, জিরের গুঁড়ো একই পরিমাণে, এলাচ গুঁড়োও একই মাত্রায়, ১টা পেঁয়াজ কুচানো, ৪টা কাঁচালঙ্কা কুচানো, লঙ্কার গুঁড়ো ২ টেবিল চামচ, কিছুটা ধনেপাতা, রসুন ও আদা বাটা ২-৩ টেবিল চামচ, লেবুর রস ২ চামচ, ময়দা ২০০ গ্রাম, স্বাদমতো নুন ও চিনি, মাখন ২ টেবিল চামচ, মিষ্টি আতর ২ ফোঁটা, কেওড়া আতর ও গোলাপ জলও ২ ফোঁটা করে। 

প্রণালী:- প্রথমে চিকেন মাঝারি টুকরো করে কাটুন। টকদই, ডিম, ধনেপাতা বাটা, আদা ও রসুন বাটা, লঙ্কার গুঁড়ো, সামান্য নুন ও তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মাংসের উপর ঢেলে দিন। এইরকম ভাবে ১৫ মিনিটের মতো রেখে দিন। এরপর এরমধ্যে নারকেলের দুধ, শা মরিচ গুঁড়ো, জিরের গুঁড়ো, এলাচের গুঁড়ো, ২ ফোঁটা করে মিষ্টি আতর, কেওড়া আতর ও গোলাপ জল মেশান। আবার ৫ মিনিট রেখে দিন। এরপরে ঐ মশলা মিশ্রিত বোনলেস চিকেনের টুকরোগুলোকে একটা একটা করে তন্দুরি শিকে গেঁথে নিয়ে কাঠকয়লার আগুনে রোস্ট করে নিন। রোস্টেড টুকরোগুলোকে একটা আলাদা পাত্রে রেখে দিন। সামান্য তেল, নুন, চিনি ও জল দিয়ে ময়দা মেখে রোলের পরোটা বেলে নিন। একটি তাওয়াতে মাখন দিয়ে একটু লালচে করে পরোটাগুলিকে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে পরোটার মাঝখানে চিকেনের টুকরোগুলোকে লম্বালম্বিভাবে সাজিয়ে লেবুর রস, লঙ্কা ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে একটি পাতলা কাগজের টুকরো দিয়ে গোল করে মুড়লেই আপনার পছন্দের চিকেন রেশমি কাবাব রোল তৈরি। 

শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০

শিখে নিয়ে ঘরেই বানান চিকেন টিকিয়া রোল। How Make Chicken Tikka Roll With Egg at Home Easily?

 উপকরণ:- বোনলেস মুরগির মাংস ১৫০ গ্রাম; কারিপাতা, পার্সলে পাতা, রসুন, আদা ও পেঁয়াজ বাটাগুলির প্রত্যেকটি ২ টেবিল চামচ করে; ১টা পেঁয়াজ কুচানো; সাদা তেল ২-৪ টেবিল চামচ; মাখন ২ টেবিল চামচ; লেবুর রস ২ চামচ; ৪ টা কাঁচালঙ্কা কুচানো; গুঁড়োলঙ্কা দুই টেবিল চামচ; ২টা ডিম; টকদই ৪ টেবিল চামচ; পাঁচ মিশেলি ডাল ( মটর, ছোলা, মুগ, মুসুর, অড়হর ) বাটা ১০০ গ্রাম; ময়দা ২০০ গ্রাম; নুন ও চিনি স্বাদমতো। 

বানানোর পদ্ধতি:- হাড় ছাড়া মুরগির মাংস ছোট ছোট টুকরো করে কেটে সেদ্ধ করে নিন। টকদই, ডিম, আদা বাটা, পার্সেলপাতা বাটা, রসুন বাটা, লঙ্কার গুঁড়ো, গরমমশলার গুঁড়ো, পেঁয়াজ বাটা ও তেল একসাথে মিশিয়ে মাংসের টুকরোগুলির উপর ঢেলে দিন। তারপর ১০ মিনিট এইভাবে রেখে দিন। এরপরে পাঁচ মিশেলি ডাল বাটা মাংসের সাথে ভালো করে মেশান। এবার ঐ মিশ্রণকে চপের মতো করে তৈরি করুন ও তাওয়াতে অল্প ভাজুন। টিক্কা তৈরি হয়ে গেলে একটি পাত্রে রেখে দিন। সামান্য তেল, জল, নুন ও চিনি দিয়ে ময়দা মেখে তাল তৈরি করুন পরোটার জন্য। ঐ তাওয়াতেই মাখন দিয়ে রোলের জন্য পরোটা লালচে করে ভাজুন। শেষে ভাজা পরোটার মাঝখানে লম্বালম্বিভাবে চিকেন টিক্কা ভেঙে সাজিয়ে দিন। তার উপরে লেবুর রস, কাঁচালঙ্কা কুচি, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে পাতলা কাগজসহ মুড়ে এগ্ চিকেন টিকিয়া রোল বানান। গরম গরম খান ও খাওয়ান।